ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

Rohingya camp : রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজনে সেনা অভিযান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

‘মানবতার আশ্রয় কেন্দ্রে’ হত্যা, গুম, সশস্ত্র ডাকাত দল ছাড়াও মাদক এবং সন্ত্রাসের শিবিরে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে অবস্থানের ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মানবপাচার থেকে শুরু করে হেন অপরাধ নেই, যা তারা করছে না। রোহিঙ্গা অপরাধের লাগাম টানতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের সমন্বয়ে অভিযান চলবে। প্রয়োজনে সেনা অভিযানও চলানো হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লাগাম টানতে  সাঁড়াশি  অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির  বৈঠক  শেষে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে  সেসময় রাখাইন রাজ্য থেকে ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়। এখন প্রায় ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ আশ্রয় শিবিরে এই কক্সবাজারেই। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে নাফ নদী। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারেও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এসব ট্রলারগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বরাষ্ট্রসচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংস হামলার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আস বাধ্য হয়। সেখানকার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন, ধর্ষণ এবং গ্রামগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার মতো মানবিক সংকট প্রত্যক্ষ করে বিশ্ব। বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে বহুজাতিক সহায়তায় মারাত্মক মানবিক সংকট এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হবে, তা কারো পক্ষে অনুমান করাটা ছিলো দুরুহ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Rohingya camp : রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজনে সেনা অভিযান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:২৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

‘মানবতার আশ্রয় কেন্দ্রে’ হত্যা, গুম, সশস্ত্র ডাকাত দল ছাড়াও মাদক এবং সন্ত্রাসের শিবিরে পরিণত হয়েছে। রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে অবস্থানের ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মানবপাচার থেকে শুরু করে হেন অপরাধ নেই, যা তারা করছে না। রোহিঙ্গা অপরাধের লাগাম টানতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসারের সমন্বয়ে অভিযান চলবে। প্রয়োজনে সেনা অভিযানও চলানো হবে। রোহিঙ্গা শিবিরে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লাগাম টানতে  সাঁড়াশি  অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির  বৈঠক  শেষে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে  সেসময় রাখাইন রাজ্য থেকে ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে কক্সবাজারে এসে আশ্রয় নেয়। এখন প্রায় ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে রয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ আশ্রয় শিবিরে এই কক্সবাজারেই। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে মাদক পাচারের নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে নাফ নদী। নদীতে মাছ ধরার ট্রলারেও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এসব ট্রলারগুলো নিবন্ধনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বরাষ্ট্রসচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংস হামলার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাফ নদী পেরিয়ে পালিয়ে আস বাধ্য হয়। সেখানকার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন, ধর্ষণ এবং গ্রামগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার মতো মানবিক সংকট প্রত্যক্ষ করে বিশ্ব। বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে বহুজাতিক সহায়তায় মারাত্মক মানবিক সংকট এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হবে, তা কারো পক্ষে অনুমান করাটা ছিলো দুরুহ।