ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

৩টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমিনুল হক, ঢাকা 

আখাউড়া-আগরতলা এবং  মোংলা-খুলনা  রেলপথ এবং বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্টশিপ পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটের যৌথভাবে

উদ্বোধন করবেন  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  প্রকল্পগুলি উভয় দেশের সংযোগ

এবং শক্তি নিরাপত্তা জোরদার করবে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ১ নভেম্বর সকাল ১১ টা নাগাদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যৌথভাবে

তিনটি ভারতীয় সহায়তাপ্রাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। ভারত সরকারের অনুদানে আখাউড়া-আগরতলা রেল সংযোগ

প্রকল্পটি বাংলাদেশ প্রান্তে ৬.৭৮ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ রেললাইন এবং ত্রিপুরায় ৫.৪৬ কিমিসহ রেল সংযোগের দৈর্ঘ্য ১২.২৪ কিমি।

খুলনা-মংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্পটি ভারত সরকারের কনসেশনাল লাইন অফ ক্রেডিট-এর অধীনে বাস্তবায়িত হয়েছে, যার মোট

প্রকল্প ব্যয় ৩৮৮.৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই প্রকল্পে মংলা বন্দর থেকে খুলনা রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার

ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হয়। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর মংলা ব্রডগেজ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের রামপালে অবস্থিত একটি ১৩২০ মেগাওয়াট সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট। প্রকল্পটি বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া

ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) দ্বারা বাস্তবায়িত হয়েছে, যেটি ভারতের এনটিপিসি লিমিটেড

এবং বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে একটি ৫০:৫০ জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি।

মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রথম ইউনিট ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উভয় প্রধানমন্ত্রীর যৌথভাবে উদ্বোধন করেন হয়েছিল

এবং বুধবার দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করা হবে। মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের কার্যক্রম বাংলাদেশে শক্তি নিরাপত্তা বৃদ্ধি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

৩টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি

আপডেট সময় : ১০:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

আমিনুল হক, ঢাকা 

আখাউড়া-আগরতলা এবং  মোংলা-খুলনা  রেলপথ এবং বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্টশিপ পাওয়ার প্ল্যান্টের দ্বিতীয় ইউনিটের যৌথভাবে

উদ্বোধন করবেন  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  প্রকল্পগুলি উভয় দেশের সংযোগ

এবং শক্তি নিরাপত্তা জোরদার করবে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ১ নভেম্বর সকাল ১১ টা নাগাদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যৌথভাবে

তিনটি ভারতীয় সহায়তাপ্রাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। ভারত সরকারের অনুদানে আখাউড়া-আগরতলা রেল সংযোগ

প্রকল্পটি বাংলাদেশ প্রান্তে ৬.৭৮ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ রেললাইন এবং ত্রিপুরায় ৫.৪৬ কিমিসহ রেল সংযোগের দৈর্ঘ্য ১২.২৪ কিমি।

খুলনা-মংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্পটি ভারত সরকারের কনসেশনাল লাইন অফ ক্রেডিট-এর অধীনে বাস্তবায়িত হয়েছে, যার মোট

প্রকল্প ব্যয় ৩৮৮.৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই প্রকল্পে মংলা বন্দর থেকে খুলনা রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার

ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হয়। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর মংলা ব্রডগেজ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের রামপালে অবস্থিত একটি ১৩২০ মেগাওয়াট সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট। প্রকল্পটি বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া

ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) দ্বারা বাস্তবায়িত হয়েছে, যেটি ভারতের এনটিপিসি লিমিটেড

এবং বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে একটি ৫০:৫০ জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি।

মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের প্রথম ইউনিট ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উভয় প্রধানমন্ত্রীর যৌথভাবে উদ্বোধন করেন হয়েছিল

এবং বুধবার দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করা হবে। মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের কার্যক্রম বাংলাদেশে শক্তি নিরাপত্তা বৃদ্ধি