ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি

সরকারের বাঁধা দরে বিক্রি হচ্ছে না আলু পেঁয়াজ ও ডিম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিন্ডিকেটের কারসাজি? না কি অন্য কিছু

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

পাড়ার ফলের দোকানের ছেলেটি লাল আঙ্কুরের দাম ৪৫০ টাকা চেয়ে বললো, ২০ টাকা কম রাখবো। আগামী সপ্তাহ থেকে দাম কমবে। কারণ, সিন্ডিকেট ভেঙ্গে গেছে! একেবারেই স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ কললো সে। ছেলেটির মুখের দিকে কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে ছিলাম।

নিয়ন্ত্রহীন বাজারে সকল পন্যের দাম চড়া। কাচাবাজারে হাত রাখা যায় না। ৪০ টাকা কাচা কলার হালি। প্রকার ভেদে তরকারীর দাম ১০০ টাকা কেজি। সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে। কিন্তু ব্যবস্থাপনায় তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে না।

গোল আলুর কেজি ৫০-৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম প্রতিটি ১৩ থেকে ১৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দাম সর্বোচ্চ ১২ টাকা, প্রতি কেজি আলু ৩৬ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু দর বেঁধে দেওয়ার সাত দিন পরও বাজারে সে দরে কোন পণ্য বিক্রি হচ্ছে না।

পেয়াজ, আলু এবং ডিমের বাজারের হাওয়া যখন উর্ধগতি, সাধারণের ক্রয়ক্ষমতায় যখন কাটছাট-নাভিশ্বাস, তখন বাণিজ্যমন্ত্রণালয় পেঁয়াজ, আলু এবং ডিমের দাম বেঁধে দেয়। বিভিন্ন পেশাজীবী আশায় বুক বাঁধেন, এবারে তাদের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও লাগব হবে। কিন্তু বেঁধে দেওয়া ঘোষণা এবং কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ।

সরকার দাম বেঁধে দিলেও পাইকারী বাজারে দাম কমছে না। সে অবস্থায় বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। উচ্চমূল্যে পণ্য কিনে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। বাজার নিয়ন্ত্রণ থাকলেও পণ্য বাজার স্বাভাবিক হবে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে, এমন মন্তব্য খুচরা ব্যবসায়ীদের।

বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, আলু সংরক্ষণ করছেন এমন ব্যবসায়ীই দাম বাড়াচ্ছেন। হিমাগারগুলো তদারকির আওতায় আনা সম্ভব না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরকারের বাঁধা দরে বিক্রি হচ্ছে না আলু পেঁয়াজ ও ডিম

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

সিন্ডিকেটের কারসাজি? না কি অন্য কিছু

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

পাড়ার ফলের দোকানের ছেলেটি লাল আঙ্কুরের দাম ৪৫০ টাকা চেয়ে বললো, ২০ টাকা কম রাখবো। আগামী সপ্তাহ থেকে দাম কমবে। কারণ, সিন্ডিকেট ভেঙ্গে গেছে! একেবারেই স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ কললো সে। ছেলেটির মুখের দিকে কিছুক্ষণ অপলক তাকিয়ে ছিলাম।

নিয়ন্ত্রহীন বাজারে সকল পন্যের দাম চড়া। কাচাবাজারে হাত রাখা যায় না। ৪০ টাকা কাচা কলার হালি। প্রকার ভেদে তরকারীর দাম ১০০ টাকা কেজি। সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে। কিন্তু ব্যবস্থাপনায় তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে না।

গোল আলুর কেজি ৫০-৬০ টাকা, পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম প্রতিটি ১৩ থেকে ১৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দাম সর্বোচ্চ ১২ টাকা, প্রতি কেজি আলু ৩৬ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৬৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু দর বেঁধে দেওয়ার সাত দিন পরও বাজারে সে দরে কোন পণ্য বিক্রি হচ্ছে না।

পেয়াজ, আলু এবং ডিমের বাজারের হাওয়া যখন উর্ধগতি, সাধারণের ক্রয়ক্ষমতায় যখন কাটছাট-নাভিশ্বাস, তখন বাণিজ্যমন্ত্রণালয় পেঁয়াজ, আলু এবং ডিমের দাম বেঁধে দেয়। বিভিন্ন পেশাজীবী আশায় বুক বাঁধেন, এবারে তাদের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও লাগব হবে। কিন্তু বেঁধে দেওয়া ঘোষণা এবং কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ।

সরকার দাম বেঁধে দিলেও পাইকারী বাজারে দাম কমছে না। সে অবস্থায় বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। উচ্চমূল্যে পণ্য কিনে কম দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়। বাজার নিয়ন্ত্রণ থাকলেও পণ্য বাজার স্বাভাবিক হবে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে, এমন মন্তব্য খুচরা ব্যবসায়ীদের।

বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, আলু সংরক্ষণ করছেন এমন ব্যবসায়ীই দাম বাড়াচ্ছেন। হিমাগারগুলো তদারকির আওতায় আনা সম্ভব না হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।