এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দেশে ফিরে এ অর্জনকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসের এক গৌরবময় মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বলেছেন, এ বিজয় শুধু আমার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি বাংলাদেশের বিজয়, গণতন্ত্রের বিজয় এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের ক্রমবর্ধমান মর্যাদার স্বীকৃতি। গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। ড. খলিলুর রহমান তাঁর এই অর্জন দেশের জনগণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি উৎসর্গ করে বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি আস্থা ও সম্মানের প্রতিফলন ঘটেছে এ নির্বাচনের মাধ্যমে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর অটুট আস্থা, দিকনির্দেশনা ও দৃঢ় সমর্থনের কারণেই এত বড় সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সহযোগিতা না পেলে এত স্বল্প সময়ে এমন একটি ঐতিহাসিক অর্জন সম্ভব হতো না।
এ সময় তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ন কবীর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতা ও নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন এবং একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকার আন্তর্জাতিক নজির রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট কূটনীতিক ও রাজনীতিক হুমায়ুন রশীদের কথা উল্লেখ করেন, যিনি চার দশক আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেছিলেন।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন ড. খলিলুর রহমান। তাঁর এই জয়কে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ বিজয় আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের নেতৃত্ব, গ্রহণযোগ্যতা ও কূটনৈতিক সক্ষমতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।









