গ্রাম ও নগর উন্নয়নে ৪১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব
- আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪১ হাজার ৩৫২ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সড়ক, গণপরিবহন, মেট্রোরেল, সেতু ও এক্সপ্রেসওয়ে খাতে সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোকে আধুনিক ও টেকসই করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, নিরাপদ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
চলতি অর্থবছরে ১০৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোর চার লেনে উন্নীতকরণ, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ‘সেফটি সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ ভিত্তিক প্রকল্পও পুনরায় চালু করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, দেশব্যাপী প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার জাতীয় এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্ভাব্য করিডোর চিহ্নিতকরণ ও সমীক্ষা চলছে। পাশাপাশি সড়ক, রেল, নৌ ও বিমান পরিবহনকে সমন্বিত করে মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঢাকার যানজট নিরসনে ছয়টি মেট্রোরেল লাইনের সমন্বয়ে শক্তিশালী গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ চলছে। বর্তমানে এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ (নর্দান)-এর নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে। এছাড়া লাইন-৫ (সাউদার্ন), লাইন-২ ও লাইন-৪ বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
ঢাকার পুরোনো বাস পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করে বৈদ্যুতিক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাস রুট যৌক্তিকীকরণ, স্বয়ংক্রিয় ফিটনেস সনদ ব্যবস্থা এবং প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ চালকের প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এছাড়া দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ, ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়ন, স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের আশা, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও আধুনিক, নিরাপদ ও দক্ষ হবে এবং জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



















