ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

সতর্কসংকেত ছাড়াই ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের অন্ধ হয়ে যেতে পারেন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪ ৪২৫ বার পড়া হয়েছে

আগাম কোনো সংকেত ছাড়াই অনেক সময় দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে মানুষ ছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া হয়

চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়

 

ভয়েস হেলথ ডেক্স

আগাম কোনো সতর্কসংকেত ছাড়াই অনেক ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলতে পারেন। ঘুমের মধ্যেও আচমকা ঘটতে পারে।

এই অন্ধত্ব সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে ঘটে থাকে। একারণে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর পরও অনেক সময় রোগীর দৃষ্টি শক্তি

ফেরানো সম্ভব হয় না।

কেন এমন হতে পারে ?

চোখের মারাত্মক কোনো আঘাত।

রেটিনার রোগ।

চোখের ধমনির হঠাৎ রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হওয়া।

চোখের অপটিক স্নায়ুর মারাত্মক প্রদাহ।

ডায়াবেটিস

উচ্চ রক্তচাপ।

হৃদ্রোগের জটিলতা।

ধমনির নিজস্ব রোগ, প্রদাহ।

রেটিনা ডিসপ্লেসমেন্ট।

এর মধ্যে চোখের কেন্দ্রীয় রক্ত ধমনির সঞ্চালন (সিআরএও নামে পরিচিত) হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যতম কারণ।

শরীরের রক্ত প্রবাহের মধ্যে যদি কোনো জমাট বস্তু বাধা (প্লাগ) সৃষ্টি করে, তবে ধমনির পরবর্তী অংশ রক্তশূন্যতায় ভোগে। শরীরের

সংবেদনশীল এলাকাগুলোর যেমন মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড কিংবা চোখের স্নায়ু স্তর বা রেটিনা অন্যতম।

লক্ষণ কী

মাথায় বা চোখের আঘাত না হলে রোগী সাধারণত কোনো যন্ত্রণা ছাড়াই হঠাৎ ঝাপসা বোধ করতে থাকেন। এক চোখ বা দুই চোখেও

এটা হতে পারে।

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা। মনে হতে পারে কালো একটা ছায়া নিচে নেমে আসছে আর ঝাপসা হয়ে আসছে

দৃষ্টি। কোনো ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণা, পানি পড়া বা পিঁচুটি ছাড়াই এমনটি হতে পারে। চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার। ক্ষেত্রবিশেষে সামনে

হয়তো বিদ্যুৎ চমকানি বা আলোর ছটা দেখতে পারেন।

তখন বিলম্ব না করে তাড়াতাড়ি সম্ভব চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। চক্ষুবিশেষজ্ঞ যত তাড়াতাড়ি রোগীকে হাতে পাবেন (৩০-৬০ মিনিট),

ততই ফলাফল ভালো হতে পারে।

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া এবং চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মনে রাখা দরকার, চোখের স্নায়ু স্তর (রেটিনা) কোষ দেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুর অংশ, যথাযথ রক্ত প্রবাহ ছাড়া যা মোটেও টিকে থাকতে পারে না।

একবার এ ধরনের কোষের মৃত্যু হলে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না।

তাই পরিণামে স্থায়ী অন্ধত্ব বরণ করে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না। এমনটিই জানালেন চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও ফেকো সার্জন ডা. আহসান কবির।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সতর্কসংকেত ছাড়াই ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের অন্ধ হয়ে যেতে পারেন!

আপডেট সময় : ১১:২৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪

 

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া হয়

চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়

 

ভয়েস হেলথ ডেক্স

আগাম কোনো সতর্কসংকেত ছাড়াই অনেক ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলতে পারেন। ঘুমের মধ্যেও আচমকা ঘটতে পারে।

এই অন্ধত্ব সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে ঘটে থাকে। একারণে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর পরও অনেক সময় রোগীর দৃষ্টি শক্তি

ফেরানো সম্ভব হয় না।

কেন এমন হতে পারে ?

চোখের মারাত্মক কোনো আঘাত।

রেটিনার রোগ।

চোখের ধমনির হঠাৎ রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হওয়া।

চোখের অপটিক স্নায়ুর মারাত্মক প্রদাহ।

ডায়াবেটিস

উচ্চ রক্তচাপ।

হৃদ্রোগের জটিলতা।

ধমনির নিজস্ব রোগ, প্রদাহ।

রেটিনা ডিসপ্লেসমেন্ট।

এর মধ্যে চোখের কেন্দ্রীয় রক্ত ধমনির সঞ্চালন (সিআরএও নামে পরিচিত) হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া অন্যতম কারণ।

শরীরের রক্ত প্রবাহের মধ্যে যদি কোনো জমাট বস্তু বাধা (প্লাগ) সৃষ্টি করে, তবে ধমনির পরবর্তী অংশ রক্তশূন্যতায় ভোগে। শরীরের

সংবেদনশীল এলাকাগুলোর যেমন মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড কিংবা চোখের স্নায়ু স্তর বা রেটিনা অন্যতম।

লক্ষণ কী

মাথায় বা চোখের আঘাত না হলে রোগী সাধারণত কোনো যন্ত্রণা ছাড়াই হঠাৎ ঝাপসা বোধ করতে থাকেন। এক চোখ বা দুই চোখেও

এটা হতে পারে।

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা

রোগীর কাছে দুপুরকে হঠাৎ মনে হতে পারে সন্ধ্যা। মনে হতে পারে কালো একটা ছায়া নিচে নেমে আসছে আর ঝাপসা হয়ে আসছে

দৃষ্টি। কোনো ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণা, পানি পড়া বা পিঁচুটি ছাড়াই এমনটি হতে পারে। চোখের সামনে সবকিছু অন্ধকার। ক্ষেত্রবিশেষে সামনে

হয়তো বিদ্যুৎ চমকানি বা আলোর ছটা দেখতে পারেন।

তখন বিলম্ব না করে তাড়াতাড়ি সম্ভব চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। চক্ষুবিশেষজ্ঞ যত তাড়াতাড়ি রোগীকে হাতে পাবেন (৩০-৬০ মিনিট),

ততই ফলাফল ভালো হতে পারে।

রক্ত প্রবাহে প্লাগ বা বাধা থাকলে প্লাগ গলানোর ইনজেকশন দেওয়া এবং চোখের ওপর বিশেষ চাপ দিয়ে প্লাগ সরানোর ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মনে রাখা দরকার, চোখের স্নায়ু স্তর (রেটিনা) কোষ দেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুর অংশ, যথাযথ রক্ত প্রবাহ ছাড়া যা মোটেও টিকে থাকতে পারে না।

একবার এ ধরনের কোষের মৃত্যু হলে তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না।

তাই পরিণামে স্থায়ী অন্ধত্ব বরণ করে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না। এমনটিই জানালেন চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও ফেকো সার্জন ডা. আহসান কবির।