ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

শীতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখতে ৫ খাবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৭৯ বার পড়া হয়েছে

কোষ্ঠকাঠিন্যে দূরে রাখতে পাতে রাখুন এসব খাবার : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

শীতে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে বাঁধাকপি সেদ্ধ করে সঙ্গে গাজর, শসা, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ,

অলিভ অয়েল ও সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন

 

ভয়েস হেলথ ডেস্ক

ঠাণ্ডা আবহাওয়াতে অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানীয় জল খাওয়া থেকে অনেকেই বিরত থাকেন। বংশগত কারণেও কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগে ভোগেন অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা একেকজনের একেকরকম। অনেকের আবার এই সমস্যা ক্ষণস্থায়ী।

শীতে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে বাঁধাকপি সেদ্ধ করে সঙ্গে গাজর, শসা, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, অলিভ অয়েল ও সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। এমনকি কিছুটা চিজও মেশানো যেতে পারে। অবশ্যই পর্যাপ্ত জল পান করতে হবে। জল হজম প্রক্রিয়াসহ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য সমাধানে ৫ খাবার

শীতে কম জল পান, প্রচুর চা বা কফি পান করা, কম ব্যায়াম করা বা ফাইবারযুক্ত খাবার কম খাওয়ার কারণেই শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা প্রকট হয়। পেট ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না, আর এর ফলে পেটে গ্যাসের সমস্যা লেগেই থাকে। খাওয়া-দাওয়ায়ও অনীহা বা অরুচির মতো সমস্যা দেখা দেয়।

আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ডা: মিহির খাতরি বলেন, কিশমিশ খাওয়া খুবই উপকারী। এই খাবারে রয়েছে এমন কিছু উপদান যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো। এবার আপনি দিনে ১০ থেকে ১৫টি জলে ভেজানো কিশমিশ খেতেই পারেন।

দেখবেন শরীরের বহু সমস্যা কমে। এমনকী কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে। আপনি সারারাত জলে ভিজিয়ে দিন কিশমিশ। সকালে উঠে খালি পেটে খেয়ে নিন। আশা করছি ফল পাবেন কয়েকদিনেই।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কম-বেশি সব বয়সের মানুষই ভোগেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো আপনার নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় রাখলে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব।

খেজুর

খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ একটি ফল। এটি মিষ্টি এবং ঠাণ্ডা প্রকৃতির হয়। যারা কোষ্ঠকাঠিন্য, হাইপার এসিডিটি, জয়েন্টে ব্যথা, চুল পড়া বা লো এনার্জিতে ভুগছেন, তাদের জন্য সেরা খাবার হতে পারে খেজুর।

প্রতিদিন সকালে খালিপেটে হালকা গরম পানিতে ২-৩টি ভেজানো খেজুর খান। খেজুরে আছে এমন কিছু পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনো কখনো ডায়রিয়ার জন্যও এটা বেশ উপকারী।

ঘি

গরুর দুধের ঘি মেটাবলিজম উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি শরীরে হেলদি ফ্যাট বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন, ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে-কে শোষণের জন্য প্রয়োজন। এক গ্লাস উষ্ণ গরুর দুধের সঙ্গে এক চা চামচ ঘি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য দারুণ কাজ করে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ঘি না খাওয়াই উচিত।

কিশমিশ

কিশমিশে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে দারুণ কার্যকর। তবে ভেজানো কিশমিশ খাওয়া ভালো। শুকনো খাবার খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে খেলে এগুলো সহজেই হজম হবে।

শীতকালে পাওয়া যায় হরেক রকম শাক-সবজি। ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, বেগুন, শিম, টমেটো ও মুলাসহ নানারকমের সবজি। আরও পাওয়া যায় বিভিন্ন রকমের শাক, যেমন: লালশাক, পালংশাক ও মূলা-শাক ইত্যাদি।

এসব শাক-সবজিতে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান ছাড়াও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, যা আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে যেমন সাহায্য করে তেমনি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও মলদ্বারের ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শীতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখতে ৫ খাবার

আপডেট সময় : ১২:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

 

শীতে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে বাঁধাকপি সেদ্ধ করে সঙ্গে গাজর, শসা, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ,

অলিভ অয়েল ও সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন

 

ভয়েস হেলথ ডেস্ক

ঠাণ্ডা আবহাওয়াতে অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত পরিমাণ পানীয় জল খাওয়া থেকে অনেকেই বিরত থাকেন। বংশগত কারণেও কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগে ভোগেন অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা একেকজনের একেকরকম। অনেকের আবার এই সমস্যা ক্ষণস্থায়ী।

শীতে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে বাঁধাকপি সেদ্ধ করে সঙ্গে গাজর, শসা, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, অলিভ অয়েল ও সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। এমনকি কিছুটা চিজও মেশানো যেতে পারে। অবশ্যই পর্যাপ্ত জল পান করতে হবে। জল হজম প্রক্রিয়াসহ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য সমাধানে ৫ খাবার

শীতে কম জল পান, প্রচুর চা বা কফি পান করা, কম ব্যায়াম করা বা ফাইবারযুক্ত খাবার কম খাওয়ার কারণেই শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা প্রকট হয়। পেট ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না, আর এর ফলে পেটে গ্যাসের সমস্যা লেগেই থাকে। খাওয়া-দাওয়ায়ও অনীহা বা অরুচির মতো সমস্যা দেখা দেয়।

আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ডা: মিহির খাতরি বলেন, কিশমিশ খাওয়া খুবই উপকারী। এই খাবারে রয়েছে এমন কিছু উপদান যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ভালো। এবার আপনি দিনে ১০ থেকে ১৫টি জলে ভেজানো কিশমিশ খেতেই পারেন।

দেখবেন শরীরের বহু সমস্যা কমে। এমনকী কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে। আপনি সারারাত জলে ভিজিয়ে দিন কিশমিশ। সকালে উঠে খালি পেটে খেয়ে নিন। আশা করছি ফল পাবেন কয়েকদিনেই।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কম-বেশি সব বয়সের মানুষই ভোগেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো আপনার নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় রাখলে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব।

খেজুর

খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ একটি ফল। এটি মিষ্টি এবং ঠাণ্ডা প্রকৃতির হয়। যারা কোষ্ঠকাঠিন্য, হাইপার এসিডিটি, জয়েন্টে ব্যথা, চুল পড়া বা লো এনার্জিতে ভুগছেন, তাদের জন্য সেরা খাবার হতে পারে খেজুর।

প্রতিদিন সকালে খালিপেটে হালকা গরম পানিতে ২-৩টি ভেজানো খেজুর খান। খেজুরে আছে এমন কিছু পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনো কখনো ডায়রিয়ার জন্যও এটা বেশ উপকারী।

ঘি

গরুর দুধের ঘি মেটাবলিজম উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি শরীরে হেলদি ফ্যাট বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন, ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে-কে শোষণের জন্য প্রয়োজন। এক গ্লাস উষ্ণ গরুর দুধের সঙ্গে এক চা চামচ ঘি দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য দারুণ কাজ করে। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ঘি না খাওয়াই উচিত।

কিশমিশ

কিশমিশে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে দারুণ কার্যকর। তবে ভেজানো কিশমিশ খাওয়া ভালো। শুকনো খাবার খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে খেলে এগুলো সহজেই হজম হবে।

শীতকালে পাওয়া যায় হরেক রকম শাক-সবজি। ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, বেগুন, শিম, টমেটো ও মুলাসহ নানারকমের সবজি। আরও পাওয়া যায় বিভিন্ন রকমের শাক, যেমন: লালশাক, পালংশাক ও মূলা-শাক ইত্যাদি।

এসব শাক-সবজিতে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান ছাড়াও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার, যা আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে যেমন সাহায্য করে তেমনি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও মলদ্বারের ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।