ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

মোবাইল, ইলেক্ট্রিক পর্দায় দীর্ঘক্ষণ কাটালে শিশুর ক্ষতি: গবেষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

 

আপনার শিশু কি দীর্ঘক্ষণ মোবাইল বা কার্টুন দেখছে। ভিডিও দেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ? তাহলে এখন থেকেই সর্তক হতে হবে। শিশুদের দীর্ঘ সময় মোবাইল, ভিডিও এবং কার্টুন দেখে সময় পার করলে তাদের দেহের ওপর নানা ধরণের প্রভাব পড়ে।

জাপানের শিশুদের নিয়ে এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ১ বছর বয়সী শিশুরা ইলেকট্রনিক পর্দায় বেশি সময় কাটালে দুই থেকে চার বছর বয়সে তাদের যোগাযোগ দক্ষতার ও সমস্যা সমাধানে দক্ষতার উন্নতি বিলম্বিত হয়। কম বয়সী শিশু বেশি সময় ধরেই ইলেকট্রনিক পর্দায় চোখ রাখলে শিশুর বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়-গবেষণায় তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সচেতন ও সতর্ক হওয়া উচিৎ।

শিশুরা টেলিভিশন দেখে, ভিডিওতে খেলা করে বা কম্পিউটারের পর্দায় ও মুঠোফোনে কার্টুনসহ নানা কিছু দেখে সময় কাটায়। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খুব কম বয়সী শিশুদের ইলেকট্রনিক পর্দায় সময় কাটানো নিয়ে অনেক বেশি কথা হচ্ছে। গবেষণা বলছে, শিশুরা বেশি সময় ধরে ইলেকট্রনিক পর্দায় চোখ রাখলে বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত জাপানের দুটি এলাকায় ৫০টি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা ২৩ হাজার ১৩০ জন মা এবং সমানসংখ্যক শিশুকে এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে সাত হাজার ৯৭ জন মা ও তাদের শিশুদের তথ্য গবেষণার বিশ্লেষণে কাজে লাগানো হয়েছিল। গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ শেষ হয়েছে ২০২৩ সালের মার্চে। এই গবেষণার তথ্য নিয়ে একটি প্রবন্ধ গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত জার্নাল অব অ্যামেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশন-এ ছাপা হয়েছে।

এক বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে গবেষণাটি শুরু হয়েছিল। এই শিশুদের বয়স যখন দুই ও চার বছর হয়েছিল তখন তাদের মানসিক বিকাশ পরিমাপ ও পর্যালোচনা করা হয়েছিল। বিকাশের ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় দেখা হয়েছিল: যোগাযোগ, হাঁটা-চলার মতো পেশী সঞ্চালন, জিনিসপত্র ধরা বা ছবি আকার মতো পেশী সঞ্চালন, বিচার বিবেচনা এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক দক্ষতা।

প্রাথিমক পর্যায়ে গবেষকেরা শিশুর মায়েদের একটি প্রশ্ন করেছিলেন: একটি সাধারণ দিনে আপনি আপনার শিশুকে টেলিভিশন দেখতে বা ভিডিওতে খেলতে, কম্পিউটারে বা মুঠোফোনের পর্দায় কতটা সময় চোখ রাখতে দেন? পাঁচ ধরনের উত্তর দেওয়ার সুযোগ ছিল: কোনো সুযোগ দিই না, এক ঘণ্টার কম, এক ঘণ্টার বেশি তবে দুই ঘণ্টার কম, দুই ঘণ্টার বেশি তবে চার ঘণ্টার কম এবং প্রতিদিন চার ঘণ্টা বা চার ঘণ্টার বেশি সময়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মোবাইল, ইলেক্ট্রিক পর্দায় দীর্ঘক্ষণ কাটালে শিশুর ক্ষতি: গবেষণা

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

 

আপনার শিশু কি দীর্ঘক্ষণ মোবাইল বা কার্টুন দেখছে। ভিডিও দেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ? তাহলে এখন থেকেই সর্তক হতে হবে। শিশুদের দীর্ঘ সময় মোবাইল, ভিডিও এবং কার্টুন দেখে সময় পার করলে তাদের দেহের ওপর নানা ধরণের প্রভাব পড়ে।

জাপানের শিশুদের নিয়ে এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ১ বছর বয়সী শিশুরা ইলেকট্রনিক পর্দায় বেশি সময় কাটালে দুই থেকে চার বছর বয়সে তাদের যোগাযোগ দক্ষতার ও সমস্যা সমাধানে দক্ষতার উন্নতি বিলম্বিত হয়। কম বয়সী শিশু বেশি সময় ধরেই ইলেকট্রনিক পর্দায় চোখ রাখলে শিশুর বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়-গবেষণায় তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সচেতন ও সতর্ক হওয়া উচিৎ।

শিশুরা টেলিভিশন দেখে, ভিডিওতে খেলা করে বা কম্পিউটারের পর্দায় ও মুঠোফোনে কার্টুনসহ নানা কিছু দেখে সময় কাটায়। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খুব কম বয়সী শিশুদের ইলেকট্রনিক পর্দায় সময় কাটানো নিয়ে অনেক বেশি কথা হচ্ছে। গবেষণা বলছে, শিশুরা বেশি সময় ধরে ইলেকট্রনিক পর্দায় চোখ রাখলে বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত জাপানের দুটি এলাকায় ৫০টি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা ২৩ হাজার ১৩০ জন মা এবং সমানসংখ্যক শিশুকে এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে সাত হাজার ৯৭ জন মা ও তাদের শিশুদের তথ্য গবেষণার বিশ্লেষণে কাজে লাগানো হয়েছিল। গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ শেষ হয়েছে ২০২৩ সালের মার্চে। এই গবেষণার তথ্য নিয়ে একটি প্রবন্ধ গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত জার্নাল অব অ্যামেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশন-এ ছাপা হয়েছে।

এক বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে গবেষণাটি শুরু হয়েছিল। এই শিশুদের বয়স যখন দুই ও চার বছর হয়েছিল তখন তাদের মানসিক বিকাশ পরিমাপ ও পর্যালোচনা করা হয়েছিল। বিকাশের ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় দেখা হয়েছিল: যোগাযোগ, হাঁটা-চলার মতো পেশী সঞ্চালন, জিনিসপত্র ধরা বা ছবি আকার মতো পেশী সঞ্চালন, বিচার বিবেচনা এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিক দক্ষতা।

প্রাথিমক পর্যায়ে গবেষকেরা শিশুর মায়েদের একটি প্রশ্ন করেছিলেন: একটি সাধারণ দিনে আপনি আপনার শিশুকে টেলিভিশন দেখতে বা ভিডিওতে খেলতে, কম্পিউটারে বা মুঠোফোনের পর্দায় কতটা সময় চোখ রাখতে দেন? পাঁচ ধরনের উত্তর দেওয়ার সুযোগ ছিল: কোনো সুযোগ দিই না, এক ঘণ্টার কম, এক ঘণ্টার বেশি তবে দুই ঘণ্টার কম, দুই ঘণ্টার বেশি তবে চার ঘণ্টার কম এবং প্রতিদিন চার ঘণ্টা বা চার ঘণ্টার বেশি সময়।