ঢাকা ১০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬ ১১৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পেঁয়াজ চাষিরা এই মৌসুমে ভালো ফলন সত্ত্বেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় পড়েছেন। এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষে  বীজ, সার, সেচ ও শ্রমিক খরচ মিলে খরচ হয় প্রায় ৩৫-৪৫ হাজার টাকা।

তবে বাজারে দাম কম থাকায় অধিকাংশ কৃষক উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। অনেকেই কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ দাম বাড়ার আশায় ঘরে মজুদ করছেন।

চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে শৈলকুপা উপজেলায় পেঁয়াজের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় বেশি হয়েছে। তবে সরবরাহ বেশি হওয়ায় দাম দ্রুত কমে গেছে।

পাইকারি বাজারে প্রতিমণ পেঁয়াজ ৮০০-১,১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের নিচে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিরা।

কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, এত কষ্ট করে চাষ করলেও খরচই উঠছে না। তিনি বলেন, পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন।

রমজান আলী জানান, প্রতিমণ পেঁয়াজ বিক্রি করে ১,৫০০ টাকার খরচের বিনিময়ে ৯৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা পাচ্ছেন, যা সংসার চালানো কঠিন করে তুলছে।

আড়তদার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, উৎপাদন বেশি হওয়ায় দেশজুড়ে পেঁয়াজ সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কমছে; ঈদুল ফিতরের আগে আশা আছে কিছুটা দাম বাড়বে।

শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান বলেন, বাম্পার ফলনের ফলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

 তিনি উল্লেখ করেন, বাজার ব্যবস্থাপনা নানা বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল এবং চাষীদের সুবিধার্থে পণ্যের নির্ধারিত মূল্য থাকা প্রয়োজন। তা না হলে আগামী মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

এভাবে চাষিরা উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণের জন্য কার্যকর উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পেঁয়াজ চাষিরা এই মৌসুমে ভালো ফলন সত্ত্বেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম হতাশায় পড়েছেন। এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষে  বীজ, সার, সেচ ও শ্রমিক খরচ মিলে খরচ হয় প্রায় ৩৫-৪৫ হাজার টাকা।

তবে বাজারে দাম কম থাকায় অধিকাংশ কৃষক উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। অনেকেই কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ দাম বাড়ার আশায় ঘরে মজুদ করছেন।

চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে শৈলকুপা উপজেলায় পেঁয়াজের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় বেশি হয়েছে। তবে সরবরাহ বেশি হওয়ায় দাম দ্রুত কমে গেছে।

পাইকারি বাজারে প্রতিমণ পেঁয়াজ ৮০০-১,১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের নিচে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিরা।

কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, এত কষ্ট করে চাষ করলেও খরচই উঠছে না। তিনি বলেন, পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও কার্যকর বাজার ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন।

রমজান আলী জানান, প্রতিমণ পেঁয়াজ বিক্রি করে ১,৫০০ টাকার খরচের বিনিময়ে ৯৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা পাচ্ছেন, যা সংসার চালানো কঠিন করে তুলছে।

আড়তদার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, উৎপাদন বেশি হওয়ায় দেশজুড়ে পেঁয়াজ সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কমছে; ঈদুল ফিতরের আগে আশা আছে কিছুটা দাম বাড়বে।

শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান বলেন, বাম্পার ফলনের ফলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

 তিনি উল্লেখ করেন, বাজার ব্যবস্থাপনা নানা বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল এবং চাষীদের সুবিধার্থে পণ্যের নির্ধারিত মূল্য থাকা প্রয়োজন। তা না হলে আগামী মৌসুমে পেঁয়াজ উৎপাদন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

এভাবে চাষিরা উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণের জন্য কার্যকর উদ্যোগের অপেক্ষায় রয়েছেন।