ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

তিব্বত সফরে পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন শি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১ ২৯০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি তিব্বত সফর করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানকার বাসিন্দাদের তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এসময় তিনি

জাতিগত সম্প্রীতি প্রচার এবং তিব্বতের বৌদ্ধধর্মকে সক্রিয়ভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিব্বতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শি বলেন, তিব্বতের পরিচিতি বৃদ্ধি করতে হবে। তবে তা হবে চীনের মূল ভূখণ্ড ও নীতির সঙ্গে সামজঞ্জস্যপূর্ণ। সেইসঙ্গে চীনের সংস্কৃতি, চীনা

কমিউনিস্ট পার্টি ও সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে তিব্বতকে উন্নত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সফল হলে নবজীবন পাবে চীন।

গত তিন দশকে এই প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট তিব্বত সফর করল। বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়েছে চীন। যার কারণে বেশ গুরুত্ব দিয়েই তিব্বতে গিয়েছেন শি বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা চলে আসছে চীনের। তার সীমান্তে নিরাপত্তা এখন শি জিনপিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিব্বত সফর মূলত ভারতের প্রতি একটি বার্তা পৌছানো।

তাছাড়া চীনের সীমান্ত এলাকায় ছড়িয়ে থাকা উপজাতি ও সংখ্যালঘু মানুষদের একত্রে করার চেষ্টা করছে চীনা সরকার। যাতে তারা ভেদাভেদ ভুলে চীনা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হয়ে উঠে।

জানা যায়, গত ২১ ও ২২ জুলাই তিব্বত সফর করেছেন শি। জাতিগত সম্প্রীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর নানাভাবে সমালোচনা করে আসছে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো। বিশেষ করে

উইঘুরদের মুসলিমদের প্রতি তার সিদ্ধান্তগুলো সবচেয়ে বেশি নজরে এসেছে বিশ্বনেতাদের। সূত্র: সাউথ চাইনা মর্নিং পোস্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :