ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: উপকূলীয় ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকিতে: ইউনিসেফ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে

 

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রমালের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। রেমালের আঘাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট। বিবৃতিতে মি. শেলডন বলেন, এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ে ভোলা, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার অনেক উপজেলা প্লাবিত হয়েছে।

ইউনিসেফ শুরু থেকেই মাঠে রয়েছে এবং ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রাথমিক সতর্কতামূলক প্রচারণা ও প্রচেষ্টা থেকে শুরু করে সর্বাত্মক সহায়তা করছে।

ছবি সংগ্রহ

মি. শেলডন বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকার ও অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা ও ত্রাণ প্রদানে সমন্বিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের অগ্রাধিকার হলো সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে শিশুদের, যারা এ ধরনের দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে।

তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়াতে এবং ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব মোকাবেলা করে ঘুরে দাঁড়াতে তাদের সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় সব কিছু প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত কমিউনিটি ও আশ্রয়কেন্দ্রে বিতরণের জন্য ইউনিসেফ দেশব্যাপী ৩৫টি গুদামে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, জেরিক্যান, মোবাইল টয়লেট, স্বাস্থ্যবিধি (হাইজিন) ও পরিবারের জন্য উপযোগী (ফ্যামিলি) কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী মজুদ রেখেছে।

প্রাথমিকভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: উপকূলীয় ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকিতে: ইউনিসেফ

আপডেট সময় : ১০:৩১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

 

বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে

 

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রমালের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের ৩২ লাখ শিশু ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। রেমালের আঘাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশন ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি থাকা ৮৪ লাখের বেশি মানুষ যার মধ্যে রয়েছে ৩২ লাখ শিশু রয়েছে।

সোমবার (২৭ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট। বিবৃতিতে মি. শেলডন বলেন, এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ে ভোলা, পটুয়াখালী ও বাগেরহাট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানকার অনেক উপজেলা প্লাবিত হয়েছে।

ইউনিসেফ শুরু থেকেই মাঠে রয়েছে এবং ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রাথমিক সতর্কতামূলক প্রচারণা ও প্রচেষ্টা থেকে শুরু করে সর্বাত্মক সহায়তা করছে।

ছবি সংগ্রহ

মি. শেলডন বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকার ও অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা ও ত্রাণ প্রদানে সমন্বিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের অগ্রাধিকার হলো সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষের জীবন রক্ষা এবং তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে শিশুদের, যারা এ ধরনের দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে।

তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়াতে এবং ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব মোকাবেলা করে ঘুরে দাঁড়াতে তাদের সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় সব কিছু প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত কমিউনিটি ও আশ্রয়কেন্দ্রে বিতরণের জন্য ইউনিসেফ দেশব্যাপী ৩৫টি গুদামে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, জেরিক্যান, মোবাইল টয়লেট, স্বাস্থ্যবিধি (হাইজিন) ও পরিবারের জন্য উপযোগী (ফ্যামিলি) কিটসহ বিভিন্ন সামগ্রী মজুদ রেখেছে।

প্রাথমিকভাবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, কক্সবাজারসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি।