ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

গেল বছর জাপানে হারিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ১৮ হাজার ৭০৯ জন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৩ ২৫৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানে প্রতিবছর হাজারো মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটিতে এমন হারানো মানুষের সংখ্যা ছিল ৮৪ হাজার ৯১০ জন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৫ হাজার ৬৯২ জন বেশি। সম্প্রতি জাপানের জাতীয় পুলিশ এজেন্সি প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্য।

জাপানে প্রতিবছর নাগরিক জীবনের বিভিন্ন দিকের সংখ্যাগত হিসাব প্রকাশ করা হয়। এই হিসাবে মানুষের হারিয়ে যাওয়ার তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপানে প্রতিবছর হারানো মানুষের একটা বড় অংশ বার্ধক্যজনিত ডিমেনশিয়া (স্মৃতিক্ষয়) রোগে আক্রান্ত।

২০২২ সালে ১৮ হাজার ৭০৯ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। যে সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

জাপানে ২০১২ সাল থেকে ডিমেনশিয়া রোগীদের হারিয়ে যাওয়ার হিসাব সংরক্ষণ শুরু হয়। সে বছর ৯ হাজার ৬০৭ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পায় পুলিশ। এর পর থেকে প্রতিবছরই এই সংখ্যা বাড়তে দেখা যায়। গত বছর সর্বোচ্চসংখ্যক ডিমেনশিয়া রোগী হারিয়ে যান।

অন্য বয়সীদের তুলনায় হারিয়ে যাওয়া ডিমেনশিয়া রোগীদের খুঁজে পাওয়ার হারও অনেক বেশি। যেমন ২০২২ সালে এ রকম ১৭ হাজার ৯২৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়। গত বছর নিখোঁজ ডিমেনশিয়া রোগীর মধ্যে ৪৯১ জনের মৃত্যু হয় বলেও জানা গিয়েছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, জাপানি সমাজ সার্বিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয় স্মৃতিক্ষয় রোগে ভুগতে থাকা মানুষের হারিয়ে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

জাপানে বর্তমানে ৬০ লাখের বেশি ডিমেনশিয়া রোগী রয়েছেন বলে বলা হয়ে থাকে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ৭০ লাখে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গেল বছর জাপানে হারিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ১৮ হাজার ৭০৯ জন

আপডেট সময় : ১১:১২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানে প্রতিবছর হাজারো মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটিতে এমন হারানো মানুষের সংখ্যা ছিল ৮৪ হাজার ৯১০ জন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৫ হাজার ৬৯২ জন বেশি। সম্প্রতি জাপানের জাতীয় পুলিশ এজেন্সি প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্য।

জাপানে প্রতিবছর নাগরিক জীবনের বিভিন্ন দিকের সংখ্যাগত হিসাব প্রকাশ করা হয়। এই হিসাবে মানুষের হারিয়ে যাওয়ার তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপানে প্রতিবছর হারানো মানুষের একটা বড় অংশ বার্ধক্যজনিত ডিমেনশিয়া (স্মৃতিক্ষয়) রোগে আক্রান্ত।

২০২২ সালে ১৮ হাজার ৭০৯ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। যে সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

জাপানে ২০১২ সাল থেকে ডিমেনশিয়া রোগীদের হারিয়ে যাওয়ার হিসাব সংরক্ষণ শুরু হয়। সে বছর ৯ হাজার ৬০৭ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পায় পুলিশ। এর পর থেকে প্রতিবছরই এই সংখ্যা বাড়তে দেখা যায়। গত বছর সর্বোচ্চসংখ্যক ডিমেনশিয়া রোগী হারিয়ে যান।

অন্য বয়সীদের তুলনায় হারিয়ে যাওয়া ডিমেনশিয়া রোগীদের খুঁজে পাওয়ার হারও অনেক বেশি। যেমন ২০২২ সালে এ রকম ১৭ হাজার ৯২৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়। গত বছর নিখোঁজ ডিমেনশিয়া রোগীর মধ্যে ৪৯১ জনের মৃত্যু হয় বলেও জানা গিয়েছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, জাপানি সমাজ সার্বিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয় স্মৃতিক্ষয় রোগে ভুগতে থাকা মানুষের হারিয়ে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

জাপানে বর্তমানে ৬০ লাখের বেশি ডিমেনশিয়া রোগী রয়েছেন বলে বলা হয়ে থাকে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ৭০ লাখে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।