ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

গেল বছর জাপানে হারিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ১৮ হাজার ৭০৯ জন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৩ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানে প্রতিবছর হাজারো মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটিতে এমন হারানো মানুষের সংখ্যা ছিল ৮৪ হাজার ৯১০ জন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৫ হাজার ৬৯২ জন বেশি। সম্প্রতি জাপানের জাতীয় পুলিশ এজেন্সি প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্য।

জাপানে প্রতিবছর নাগরিক জীবনের বিভিন্ন দিকের সংখ্যাগত হিসাব প্রকাশ করা হয়। এই হিসাবে মানুষের হারিয়ে যাওয়ার তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপানে প্রতিবছর হারানো মানুষের একটা বড় অংশ বার্ধক্যজনিত ডিমেনশিয়া (স্মৃতিক্ষয়) রোগে আক্রান্ত।

২০২২ সালে ১৮ হাজার ৭০৯ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। যে সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

জাপানে ২০১২ সাল থেকে ডিমেনশিয়া রোগীদের হারিয়ে যাওয়ার হিসাব সংরক্ষণ শুরু হয়। সে বছর ৯ হাজার ৬০৭ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পায় পুলিশ। এর পর থেকে প্রতিবছরই এই সংখ্যা বাড়তে দেখা যায়। গত বছর সর্বোচ্চসংখ্যক ডিমেনশিয়া রোগী হারিয়ে যান।

অন্য বয়সীদের তুলনায় হারিয়ে যাওয়া ডিমেনশিয়া রোগীদের খুঁজে পাওয়ার হারও অনেক বেশি। যেমন ২০২২ সালে এ রকম ১৭ হাজার ৯২৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়। গত বছর নিখোঁজ ডিমেনশিয়া রোগীর মধ্যে ৪৯১ জনের মৃত্যু হয় বলেও জানা গিয়েছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, জাপানি সমাজ সার্বিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয় স্মৃতিক্ষয় রোগে ভুগতে থাকা মানুষের হারিয়ে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

জাপানে বর্তমানে ৬০ লাখের বেশি ডিমেনশিয়া রোগী রয়েছেন বলে বলা হয়ে থাকে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ৭০ লাখে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গেল বছর জাপানে হারিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ১৮ হাজার ৭০৯ জন

আপডেট সময় : ১১:১২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

জাপানে প্রতিবছর হাজারো মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটিতে এমন হারানো মানুষের সংখ্যা ছিল ৮৪ হাজার ৯১০ জন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৫ হাজার ৬৯২ জন বেশি। সম্প্রতি জাপানের জাতীয় পুলিশ এজেন্সি প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তথ্য।

জাপানে প্রতিবছর নাগরিক জীবনের বিভিন্ন দিকের সংখ্যাগত হিসাব প্রকাশ করা হয়। এই হিসাবে মানুষের হারিয়ে যাওয়ার তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাপানে প্রতিবছর হারানো মানুষের একটা বড় অংশ বার্ধক্যজনিত ডিমেনশিয়া (স্মৃতিক্ষয়) রোগে আক্রান্ত।

২০২২ সালে ১৮ হাজার ৭০৯ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। যে সংখ্যা আগের বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

জাপানে ২০১২ সাল থেকে ডিমেনশিয়া রোগীদের হারিয়ে যাওয়ার হিসাব সংরক্ষণ শুরু হয়। সে বছর ৯ হাজার ৬০৭ জন ডিমেনশিয়া রোগীর হারিয়ে যাওয়ার তথ্য পায় পুলিশ। এর পর থেকে প্রতিবছরই এই সংখ্যা বাড়তে দেখা যায়। গত বছর সর্বোচ্চসংখ্যক ডিমেনশিয়া রোগী হারিয়ে যান।

অন্য বয়সীদের তুলনায় হারিয়ে যাওয়া ডিমেনশিয়া রোগীদের খুঁজে পাওয়ার হারও অনেক বেশি। যেমন ২০২২ সালে এ রকম ১৭ হাজার ৯২৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়। গত বছর নিখোঁজ ডিমেনশিয়া রোগীর মধ্যে ৪৯১ জনের মৃত্যু হয় বলেও জানা গিয়েছে।

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, জাপানি সমাজ সার্বিকভাবে বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয় স্মৃতিক্ষয় রোগে ভুগতে থাকা মানুষের হারিয়ে যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এই প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

জাপানে বর্তমানে ৬০ লাখের বেশি ডিমেনশিয়া রোগী রয়েছেন বলে বলা হয়ে থাকে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ৭০ লাখে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।