ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকার যানজট-কর্মঘণ্টা নষ্টের উৎস ব্যাটারি রিকশার চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে উদ্যোগ ডিএসসিসির আগামী সপ্তাহেই দিল্লি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  প্রস্তুতি দুই দেশেই স্কুল ফিডিংয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্তি চায় শিক্ষক-অবিভাবকরা সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যু ভিক্ষার ঝুলিতে ৪৬ হাজার ৬০০ ডলার সহানুভূতির আড়ালে প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল বাকি শুধু সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে পাঁচ বছরে ৩৪ প্রাণহানি  অবসরে  ৪৯ পুলিশ পরিদর্শক  এক বছরে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি তেল আমদানি মায়ের ছোট্ট অনুরোধে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে শিশুদের ‘খেলা ঘর’

কিউইদের কাছে শোচনীয় পরাজয় পাকিস্তানের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫ ৩১০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিউইদের কাছে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়। টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর এবার ওয়ানডে সিরিজেও নিউজিল্যান্ডের কাছে শোচনীয় পরাজয় সফরকারী পাকিস্তান।

বুধবার হ্যামিল্টনে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৯২ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০৮ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ফলে স্বাগতিক কিউইদের কাছে ৮৪ রানে পরাজিত হয়ে সিরিজ থেকে ছিটকে গেল রিজওয়ানরা।

নেপিয়ারে প্রথম ম্যাচে ৭৩ রানে জয়ের পর এ ম্যাচেও দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে কিউইরা।

নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৯৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয় পাকিস্তান। মাত্র ৯ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন আবদুল্লাহ শফিক, ইমাম-উল-হক ও বাবর আজম।

এরপর ৩২ রানের মধ্যে অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার উইকেট হারালে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ম্যাচের পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্রিজে আসেন ফাহিম আশরাফ।

তাইব তাহিরের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও তাহির ১৩ রান করে আউট হন। এরপর মোহাম্মদ ওয়াসিমও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। ৭২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে সিরিজে ফেরার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের।

কিন্তু এখান থেকে লড়াই চালিয়ে যান ফাহিম আশরাফ। হারিস রউফ, আকিব জাভেদ ও নাসিম শাহকে নিয়ে ১০২ রান যোগ করেন তিনি। নবম উইকেট হিসেবে ৭৩ রান করে আউট হন এই অলরাউন্ডার।

দলীয় রান তখন ১৭৪। নাসিম শাহ শেষ উইকেট জুটিতে দলের স্কোর দুইশ পার করেন। ৪৪ বলে ৫১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি।

কিউইদের হয়ে বিধ্বংসী বোলিং করেছেন সিয়ার্স। মাত্র ৫৯ রান খরচায় পাঁচ উইকেট শিকার করেন তিনি।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ড ভালো সূচনা করে। ৬ ওভারে ৫৪ রান তোলে স্বাগতিকরা। এরপর ১৩২ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় দলটি।

এ সময় দলের হাল ধরেন মিচেল হে ও মোহাম্মদ আব্বাস। দু’জন মিলে ৮০ বলে ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ৭৮ বলে ৯৯ রানে অপরাজিত থাকেন মিচেল হে, শেষ বলে সেঞ্চুরির জন্য প্রয়োজন ছিল ৫ রান, কিন্তু চার মেরে ৯৯ রানেই থামেন তিনি। অপরাজিত থেকে ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন এই কিউই ব্যাটার।

মোহাম্মদ আব্বাস ৬৬ বলে ৪১ রান আর টেল এন্ডারদের নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে তিনশোর কাছাকাছি নিয়ে যান হে।

পাকিস্তানের হয়ে ওয়াসিম জুনিয়র ও সুফিয়ান মুকিম দু’টি করে উইকেট পান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কিউইদের কাছে শোচনীয় পরাজয় পাকিস্তানের

আপডেট সময় : ০৫:১৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

কিউইদের কাছে পাকিস্তানের শোচনীয় পরাজয়। টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর এবার ওয়ানডে সিরিজেও নিউজিল্যান্ডের কাছে শোচনীয় পরাজয় সফরকারী পাকিস্তান।

বুধবার হ্যামিল্টনে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৯২ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০৮ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ফলে স্বাগতিক কিউইদের কাছে ৮৪ রানে পরাজিত হয়ে সিরিজ থেকে ছিটকে গেল রিজওয়ানরা।

নেপিয়ারে প্রথম ম্যাচে ৭৩ রানে জয়ের পর এ ম্যাচেও দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে কিউইরা।

নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৯৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয় পাকিস্তান। মাত্র ৯ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন আবদুল্লাহ শফিক, ইমাম-উল-হক ও বাবর আজম।

এরপর ৩২ রানের মধ্যে অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগার উইকেট হারালে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ম্যাচের পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্রিজে আসেন ফাহিম আশরাফ।

তাইব তাহিরের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও তাহির ১৩ রান করে আউট হন। এরপর মোহাম্মদ ওয়াসিমও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। ৭২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে সিরিজে ফেরার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের।

কিন্তু এখান থেকে লড়াই চালিয়ে যান ফাহিম আশরাফ। হারিস রউফ, আকিব জাভেদ ও নাসিম শাহকে নিয়ে ১০২ রান যোগ করেন তিনি। নবম উইকেট হিসেবে ৭৩ রান করে আউট হন এই অলরাউন্ডার।

দলীয় রান তখন ১৭৪। নাসিম শাহ শেষ উইকেট জুটিতে দলের স্কোর দুইশ পার করেন। ৪৪ বলে ৫১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি।

কিউইদের হয়ে বিধ্বংসী বোলিং করেছেন সিয়ার্স। মাত্র ৫৯ রান খরচায় পাঁচ উইকেট শিকার করেন তিনি।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ড ভালো সূচনা করে। ৬ ওভারে ৫৪ রান তোলে স্বাগতিকরা। এরপর ১৩২ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় দলটি।

এ সময় দলের হাল ধরেন মিচেল হে ও মোহাম্মদ আব্বাস। দু’জন মিলে ৮০ বলে ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ৭৮ বলে ৯৯ রানে অপরাজিত থাকেন মিচেল হে, শেষ বলে সেঞ্চুরির জন্য প্রয়োজন ছিল ৫ রান, কিন্তু চার মেরে ৯৯ রানেই থামেন তিনি। অপরাজিত থেকে ১ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন এই কিউই ব্যাটার।

মোহাম্মদ আব্বাস ৬৬ বলে ৪১ রান আর টেল এন্ডারদের নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে তিনশোর কাছাকাছি নিয়ে যান হে।

পাকিস্তানের হয়ে ওয়াসিম জুনিয়র ও সুফিয়ান মুকিম দু’টি করে উইকেট পান।