ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম লাইনে দাঁড়িয়ে স্বস্তি: অল্প সময়েই তেল পেলেন বাইকচালক মোহাম্মদ আলী দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান

এবারে চড়াই থাকল ইলিশের দাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ভরমৌসুম থেকে ইলিশের দামের উর্ধগতি তা আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরল না। আজ মঙ্গলবার বাজারে ৬ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হতে দেখা গেছে ১ হাজার টাকা কেজি।

আর মৌসুমের শেষে এসেতো আর বাড়বে। ক্রেতারা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে এতোটা দাম বাড়ল ইলিশের যা জীবনে এই প্রথমবার প্রত্যক্ষ করলেন তারা। এ বছর জাতীয় মাছটির তেমন স্বাদ নিতে পারেননি বহু মানুষ।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, নিয়ন্ত্রণহীন নিত্যপণ্যের দাম এবং আয়রোজগার কমে যাওয়ায় ইলিশ মাছ কেনা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এর মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সুযোগে একশ্যেণীর মুনাফালোভি ব্যবসায়ী ইলিশের দাম আরও একদফা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইলিশ মাছ আহরণ এবং সংশ্লিষ্ট খাতে প্রায় ৩২ লাখ মানুষ জড়িত রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৭ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে ইলিশ ধরা এবং প্রায় ২৫ লাখ মানুষ ইলিশের জাল এবং অন্যান্য সরঞ্জাম যেমন বরফ, পরিবহন, বিপণন, বিক্রয় এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে জড়িত।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৯-২০ অর্থবছরে ইলিশের আহরণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার টনে। বিএফআরআই-র মতে, বর্তমানে ইলিশের সর্বোচ্চ টেকসই ফলন ৭ লাখ ২ হাজার টন।

বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রফতানিকারক সমিতি (বিএফএফইএ) সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৬ লাখ টন ইলিশ আহরণ হয়। সেখান থেকে ৪ থেকে ৫ হাজার টন ইলিশ রফতানি হলে বাজারে তেমন কোনও প্রভাব পড়ে না। বরং ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার সমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশে মোহনা থেকে সমুদ্রের ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার উজানে ও উপকূল থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ইলিশ পাওয়া যায়।

দিনে ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া ইলিশ সাগর থেকে যতই নদীর মিষ্টি পানির দিকে আসে, ততই এর শরীর থেকে লবণ খসে যায় এবং এর স্বাদ বাড়ে। বর্তমানে দেশের সমুদ্র, মোহনা ও উপকূলসহ ৩৮টি জেলার ১০০টি নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যায়।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবারও ভারতে ৪ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। কিন্তু ইলিশের উচ্চমূল্য নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে এ সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেছেন। অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলেছেন, এত পরিমাণ ইলিশ আহরণের পরও চড়া দাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এবারে চড়াই থাকল ইলিশের দাম

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

ভরমৌসুম থেকে ইলিশের দামের উর্ধগতি তা আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরল না। আজ মঙ্গলবার বাজারে ৬ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হতে দেখা গেছে ১ হাজার টাকা কেজি।

আর মৌসুমের শেষে এসেতো আর বাড়বে। ক্রেতারা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে এতোটা দাম বাড়ল ইলিশের যা জীবনে এই প্রথমবার প্রত্যক্ষ করলেন তারা। এ বছর জাতীয় মাছটির তেমন স্বাদ নিতে পারেননি বহু মানুষ।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, নিয়ন্ত্রণহীন নিত্যপণ্যের দাম এবং আয়রোজগার কমে যাওয়ায় ইলিশ মাছ কেনা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এর মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সুযোগে একশ্যেণীর মুনাফালোভি ব্যবসায়ী ইলিশের দাম আরও একদফা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইলিশ মাছ আহরণ এবং সংশ্লিষ্ট খাতে প্রায় ৩২ লাখ মানুষ জড়িত রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৭ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে ইলিশ ধরা এবং প্রায় ২৫ লাখ মানুষ ইলিশের জাল এবং অন্যান্য সরঞ্জাম যেমন বরফ, পরিবহন, বিপণন, বিক্রয় এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে জড়িত।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৯-২০ অর্থবছরে ইলিশের আহরণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার টনে। বিএফআরআই-র মতে, বর্তমানে ইলিশের সর্বোচ্চ টেকসই ফলন ৭ লাখ ২ হাজার টন।

বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রফতানিকারক সমিতি (বিএফএফইএ) সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৬ লাখ টন ইলিশ আহরণ হয়। সেখান থেকে ৪ থেকে ৫ হাজার টন ইলিশ রফতানি হলে বাজারে তেমন কোনও প্রভাব পড়ে না। বরং ৩৫০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার সমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশে মোহনা থেকে সমুদ্রের ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার উজানে ও উপকূল থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত ইলিশ পাওয়া যায়।

দিনে ৭০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া ইলিশ সাগর থেকে যতই নদীর মিষ্টি পানির দিকে আসে, ততই এর শরীর থেকে লবণ খসে যায় এবং এর স্বাদ বাড়ে। বর্তমানে দেশের সমুদ্র, মোহনা ও উপকূলসহ ৩৮টি জেলার ১০০টি নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যায়।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবারও ভারতে ৪ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। কিন্তু ইলিশের উচ্চমূল্য নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে এ সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেছেন। অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলেছেন, এত পরিমাণ ইলিশ আহরণের পরও চড়া দাম।