ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

উজানের ঢলে তলিয়ে গেলো সিলেটের ৫ উপজেলা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪ ২১৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত সিলেটের সীমান্তবর্তী ৫টি উপজেলার অধিকাংশ এলাকা। পানিবন্দি সাড়ে ৫ লাখের বেশি মানুষ।

নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠছে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এ অবস্থায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় গোয়াইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, জাফলং, বিছানাকান্দি , রাতারগুল, পান্থুমাইসহ সব ক’টি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে।

 

পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী এলাকার নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় পর্যটনকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনজিত কুমার চন্দ সাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পানি অব্যাহতভাবে বেড়ে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রসহ সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

সিলেটের উজানে ভারতের মেঘালয় ও আসাম রাজ্যে। এসব রাজ্যের ভারী বৃষ্টি হলে সেই পানির ঢল সিলেটে নেমে আসে। তখন ভাটি অঞ্চলের ফসলের মাঠসহ ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সিলেটে গত কয়েকদিন থেকে থেমে ভারী বর্ষণ হয়েছে। বিশেষ করে উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ভারি বর্ষণের কারণে নদ-নদীর সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানি বেড়েছে।

পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হচ্ছে সীমান্তবর্তী পাঁচটি উপজেলা গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জের নিম্নাঞ্চল। এসব উপজেলার ৪৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩৩টি প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৫ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি। দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য চারটি উপজেলায় ২১৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

গোয়াইনঘাটে ৫৬টি, জৈন্তাপুরে ৪৮ টি, কানাইঘাটে ১৮টি, কোম্পানীগঞ্জে ৩৫টি ও জকিগঞ্জে ৫৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গতরা আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রতিটি উপজেলার দুর্গত মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ২০০ প্যাকেট করে শুকনা খাবার, ১৫ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

উজানের ঢলে তলিয়ে গেলো সিলেটের ৫ উপজেলা

আপডেট সময় : ১০:১৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

 

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ভারী বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত সিলেটের সীমান্তবর্তী ৫টি উপজেলার অধিকাংশ এলাকা। পানিবন্দি সাড়ে ৫ লাখের বেশি মানুষ।

নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠছে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এ অবস্থায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় গোয়াইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, জাফলং, বিছানাকান্দি , রাতারগুল, পান্থুমাইসহ সব ক’টি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে।

 

পাহাড়ি ঢলে সীমান্তবর্তী এলাকার নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় পর্যটনকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনজিত কুমার চন্দ সাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পানি অব্যাহতভাবে বেড়ে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রসহ সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

সিলেটের উজানে ভারতের মেঘালয় ও আসাম রাজ্যে। এসব রাজ্যের ভারী বৃষ্টি হলে সেই পানির ঢল সিলেটে নেমে আসে। তখন ভাটি অঞ্চলের ফসলের মাঠসহ ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সিলেটে গত কয়েকদিন থেকে থেমে ভারী বর্ষণ হয়েছে। বিশেষ করে উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ভারি বর্ষণের কারণে নদ-নদীর সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানি বেড়েছে।

পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হচ্ছে সীমান্তবর্তী পাঁচটি উপজেলা গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ ও জকিগঞ্জের নিম্নাঞ্চল। এসব উপজেলার ৪৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩৩টি প্লাবিত হয়ে সাড়ে ৫ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি। দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য চারটি উপজেলায় ২১৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

গোয়াইনঘাটে ৫৬টি, জৈন্তাপুরে ৪৮ টি, কানাইঘাটে ১৮টি, কোম্পানীগঞ্জে ৩৫টি ও জকিগঞ্জে ৫৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গতরা আশ্রয় নিয়েছেন।

প্রতিটি উপজেলার দুর্গত মানুষের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ২০০ প্যাকেট করে শুকনা খাবার, ১৫ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।