ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ
- আপডেট সময় : ১১:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাস্ত্র ভাণ্ডারে দ্রুত সংকট তৈরি হচ্ছে, এমনই সতর্কবার্তা উঠে এসেছে কৌশলগত এবং আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন কেন্দ্র (সিএসআইএস)-এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে।
দ্য হিল- এর উদ্ধৃতি অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ ইতিমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে।
বিশেষ করে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে।

একই চিত্র দেখা যাচ্ছে থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও, এরও প্রায় ৫০ শতাংশ প্রতিরোধক ব্যবহৃত হয়ে গেছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু প্রতিরক্ষা নয়, আক্রমণাত্মক সক্ষমতাতেও চাপ বাড়ছে। ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল’-এর মজুতের ৪৫ শতাংশের বেশি ইতিমধ্যে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সামরিক প্রস্তুতির জন্য উদ্বেগজনক সংকেত বহন করছে।
এই পরিস্থিতি স্পষ্ট করে যে, দীর্ঘমেয়াদি বা উচ্চমাত্রার সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ শৃঙ্খল কতটা চাপে পড়তে পারে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মাত্রার অস্ত্র ব্যবহারে কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। একদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সক্ষমতা বজায় রাখা সম্ভব হলেও, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি দুর্বল হয়ে পড়ছে।
ফলে দ্রুত পুনরায় উৎপাদন বৃদ্ধি না করলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হতে পারে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস)-এর এক নতুন বিশ্লেষণকে উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল এ তথ্য জানিয়েছে।




















