ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাচ্ছে জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫ ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির বিশেষ উপদেষ্টা টবি ক্যাডম্যান ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিসি) জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলো পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন, আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটরের বিশেষ উপদেষ্টা টবি ক্যাডম্যান। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাত করে এই প্রস্তাব দেন।

বসনিয়া, কসোভো, রুয়ান্ডা, ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান বৃহস্পতিবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলো হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানোর প্রস্তাব দেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বকে জানতে হবে যে, জুলাই আন্দোলনের সময় ১,৪০০ শিক্ষার্থী, প্রতিবাদকারী ও শ্রমিকদের হত্যার আদেশ কে দিয়েছিল এবং প্রধান অপরাধীরা কারা ছিল।

জাতিসংঘের তদন্ত মিশন শেখ হাসিনা সরকারের প্রকৃত চেহারা উন্মোচন করেছে। এখন আমাদের অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

বৈঠকে শেখ হাসিনা সরকারের লুট করা সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও পুনরুদ্ধার করা নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ কীভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সঙ্গে কাজ করতে পারে তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় বলা হয়, কিছু অভিযুক্ত বিদেশে পালিয়ে গিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সুরক্ষা পাচ্ছে, তাই আইসিসির কমপ্লিমেন্টারিটি নীতির অধীনে সহযোগিতা জরুরি, যাতে এই অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা যায়।

টবি ক্যাডম্যান আইসিটির আইনি কাঠামোতেও সংশোধনী আনার প্রস্তাব দেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করা, যাতে এটি আগের স্বৈরাচারী সরকারের (শেখ হাসিনার শাসন) প্রভাব থেকে মুক্ত বলে প্রতীয়মান হয়।

তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা এবং ন্যায়বিচারের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে প্রক্রিয়াগত সাক্ষ্য আইন সংযোজন করা দরকার।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস আইসিটি প্রসিকিউশন টিমের কাজের প্রশংসা করেন এবং বলেন, তাদের অবশ্যই সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে, জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলা আইসিসিতে পাঠানো হবে কি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাচ্ছে জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলা

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিসি) জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলো পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছেন, আইসিটির প্রধান প্রসিকিউটরের বিশেষ উপদেষ্টা টবি ক্যাডম্যান। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাত করে এই প্রস্তাব দেন।

বসনিয়া, কসোভো, রুয়ান্ডা, ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান বৃহস্পতিবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মামলাগুলো হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) পাঠানোর প্রস্তাব দেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বকে জানতে হবে যে, জুলাই আন্দোলনের সময় ১,৪০০ শিক্ষার্থী, প্রতিবাদকারী ও শ্রমিকদের হত্যার আদেশ কে দিয়েছিল এবং প্রধান অপরাধীরা কারা ছিল।

জাতিসংঘের তদন্ত মিশন শেখ হাসিনা সরকারের প্রকৃত চেহারা উন্মোচন করেছে। এখন আমাদের অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

বৈঠকে শেখ হাসিনা সরকারের লুট করা সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও পুনরুদ্ধার করা নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ কীভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সঙ্গে কাজ করতে পারে তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় বলা হয়, কিছু অভিযুক্ত বিদেশে পালিয়ে গিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সুরক্ষা পাচ্ছে, তাই আইসিসির কমপ্লিমেন্টারিটি নীতির অধীনে সহযোগিতা জরুরি, যাতে এই অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা যায়।

টবি ক্যাডম্যান আইসিটির আইনি কাঠামোতেও সংশোধনী আনার প্রস্তাব দেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করা, যাতে এটি আগের স্বৈরাচারী সরকারের (শেখ হাসিনার শাসন) প্রভাব থেকে মুক্ত বলে প্রতীয়মান হয়।

তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা এবং ন্যায়বিচারের সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে প্রক্রিয়াগত সাক্ষ্য আইন সংযোজন করা দরকার।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস আইসিটি প্রসিকিউশন টিমের কাজের প্রশংসা করেন এবং বলেন, তাদের অবশ্যই সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবে, জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলা আইসিসিতে পাঠানো হবে কি না।