ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন বাংলা কিউআর চালু হলে বদলে যাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপে চাপা শত শত প্রাণ, উদ্ধার ২৩৫ মরদেহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক তিয়েনআনমেন চীনের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

United Nations data: ভারতের প্রস্তাব পাশ, রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য মিলবে বাংলায়ও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২ ৩২৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বহু ভাষা ব্যবহারের অংশ হিসাবে বাংলায়ও মিলবে রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য। শুক্রবার রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে ভারতের পৃষ্ঠপোষকতায় বহুভাষা ব্যবহারের প্রস্তাবটি পাস হয়। এখন থেকে অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা, উর্দু ও হিন্দিতে তথ্য পাওয়া যাবে। রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বীকৃতি ইংরেজি, রাশিয়ান, স্প্যানিশ, চীনা, আরবি ও ফরাসি এই ছয়টি ভাষা রয়েছে।

প্রস্তাবটি পাস হওয়ায় রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈশ্বিক যোগাযোগ শাখা নন-অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলা, হিন্দি ও উর্দু ব্যবহার করবে। প্রস্তাবে পর্তুগিজ, কিসওয়াহিলি ও ফার্সি ভাষাও ব্যবহার হবে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টি এস তিরুমূর্তি জানান, রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য প্রচারের মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত ছয়টি ভাষার পাশাপাশি হিন্দি, বাংলা ও উর্দুকে গ্রহণ ও প্রাতিষ্ঠানিক করা হবে। এই রেজুলেশনটির কো-ফেসিলেটর ছিল অ্যান্ডোরা ও কলম্বিয়া।

এই রেজুলেশন পাসের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতীয় দূত তিরুমূর্তি বলেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের মৌলিক মূল্যবোধ হিসেবে বহুভাষাবাদ স্বীকৃত। প্রস্তাবে এই প্রথম হিন্দি ভাষার উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলা ও উর্দুর কথাও প্রথম বলা হলো। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।

রাষ্ট্রপুঞ্জের উত্থাপিত ভারতের প্রস্তাবে ৮০টি দেশ সাড়া দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিরুমূর্তির বয়ান, ‘১৯৪৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, যতদিন না সারা বিশ্বের সব মানুষ রাষ্ট্রপুঞ্জের লক্ষ্য ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারছে, ততদিন তার উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না।’ সেই কারণেই ভাষার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ, ভারত, সিয়েরা লিয়নসহ কমপক্ষে ১৫টি দেশের ৩০ কোটিরও বেশি মানুষের ভাষা বাংলা। সংখ্যার দিক থেকে যা বিশ্বে ষষ্ঠ। রাষ্ট্রপুঞ্জের দাফতরিক ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার স্বীকৃতির জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার। সরকারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

United Nations data: ভারতের প্রস্তাব পাশ, রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য মিলবে বাংলায়ও

আপডেট সময় : ০৮:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুন ২০২২

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বহু ভাষা ব্যবহারের অংশ হিসাবে বাংলায়ও মিলবে রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য। শুক্রবার রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে ভারতের পৃষ্ঠপোষকতায় বহুভাষা ব্যবহারের প্রস্তাবটি পাস হয়। এখন থেকে অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা, উর্দু ও হিন্দিতে তথ্য পাওয়া যাবে। রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বীকৃতি ইংরেজি, রাশিয়ান, স্প্যানিশ, চীনা, আরবি ও ফরাসি এই ছয়টি ভাষা রয়েছে।

প্রস্তাবটি পাস হওয়ায় রাষ্ট্রপুঞ্জের বৈশ্বিক যোগাযোগ শাখা নন-অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলা, হিন্দি ও উর্দু ব্যবহার করবে। প্রস্তাবে পর্তুগিজ, কিসওয়াহিলি ও ফার্সি ভাষাও ব্যবহার হবে।

রাষ্ট্রপুঞ্জের নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টি এস তিরুমূর্তি জানান, রাষ্ট্রপুঞ্জের তথ্য প্রচারের মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত ছয়টি ভাষার পাশাপাশি হিন্দি, বাংলা ও উর্দুকে গ্রহণ ও প্রাতিষ্ঠানিক করা হবে। এই রেজুলেশনটির কো-ফেসিলেটর ছিল অ্যান্ডোরা ও কলম্বিয়া।

এই রেজুলেশন পাসের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতীয় দূত তিরুমূর্তি বলেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের মৌলিক মূল্যবোধ হিসেবে বহুভাষাবাদ স্বীকৃত। প্রস্তাবে এই প্রথম হিন্দি ভাষার উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলা ও উর্দুর কথাও প্রথম বলা হলো। আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।

রাষ্ট্রপুঞ্জের উত্থাপিত ভারতের প্রস্তাবে ৮০টি দেশ সাড়া দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিরুমূর্তির বয়ান, ‘১৯৪৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, যতদিন না সারা বিশ্বের সব মানুষ রাষ্ট্রপুঞ্জের লক্ষ্য ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারছে, ততদিন তার উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না।’ সেই কারণেই ভাষার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ, ভারত, সিয়েরা লিয়নসহ কমপক্ষে ১৫টি দেশের ৩০ কোটিরও বেশি মানুষের ভাষা বাংলা। সংখ্যার দিক থেকে যা বিশ্বে ষষ্ঠ। রাষ্ট্রপুঞ্জের দাফতরিক ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার স্বীকৃতির জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বাংলাদেশ সরকার। সরকারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।