ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

Rohingya camp : রোহিঙ্গা  শিবিরে তিনমাসে ১২ খুন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৩৫০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

দিন যতই যাচ্ছে, আশ্রিত রোহিঙ্গা শিবিরে ততই রক্ত ঝরছে। নিত্যঘটনায় পরিণত হয়েছে খুন, মাদক ও অপহরণসহ মারাত্মক অপরাধ। গত পাঁচ দিনে শিবিরে স্বেচ্ছাসেবকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ভোরে উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে দুর্বৃত্তরা এরশাদ নামের এক রোহিঙ্গাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আনোয়ার এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ নিয়ে দুই দিনে দু’জন রোহিঙ্গা খুন হলো।

গত মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে রাতের পাহারায় থাকা মো. জাফার (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর টেকনাফ মৌচনী ক্যাম্পে ইলিয়াছ নামে এক রোহিঙ্গাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় ক্যাম্পের বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। রোহিঙ্গা শিবির এখন অপরাধের আতুর ঘর। সরকারের মাথা ব্যাথার অন্যতম কারণ এই আশ্রিত শিবির।  শিবিরে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠছে রোহিঙ্গাদেরই একটা গোষ্ঠী! কারা নেপথ্যের কারিগর? বিদ্রোহী রোহিঙ্গা গ্রুপগুলোর  এধরণের কর্মকাণ্ডের ফলে শিবিরগুলোর নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলেও মনে করছেন স্বেচ্ছাসেবী রোহিঙ্গারা।

রাতে বেলা  শিবিরে স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের পাহারা দেওয়ার পদ্ধতি চালু তা থাকলেও তা মেনে নিতে পারছে না  বিদ্রোহী গ্রুপ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মতে যত দিন গড়াচ্ছে, রোহিঙ্গা শিবিরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ততটাই কঠিন হয়ে পড়ছে।  আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার (অপারেশন) মো. ফারুক আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, উখিয়া-টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি শিবিরগুলোতে নিরাপত্তায় প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবী রয়েছে। শিবিরভিত্তিক সন্ত্রাসীরা স্বেচ্ছাসেবিদের টার্গেট করে হত্যা করছে। পুলিশ জানায়, গত জুলাই থেকে মাত্র তিন মাসে রোহিঙ্গা শিবিরে খুন হয়েছে অন্তত ১২ জন। যার  পাঁচ জন ছিল স্বেচ্ছাসেবক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Rohingya camp : রোহিঙ্গা  শিবিরে তিনমাসে ১২ খুন!

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছবি সংগ্রহ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

দিন যতই যাচ্ছে, আশ্রিত রোহিঙ্গা শিবিরে ততই রক্ত ঝরছে। নিত্যঘটনায় পরিণত হয়েছে খুন, মাদক ও অপহরণসহ মারাত্মক অপরাধ। গত পাঁচ দিনে শিবিরে স্বেচ্ছাসেবকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ভোরে উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে দুর্বৃত্তরা এরশাদ নামের এক রোহিঙ্গাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আনোয়ার এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ নিয়ে দুই দিনে দু’জন রোহিঙ্গা খুন হলো।

গত মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে রাতের পাহারায় থাকা মো. জাফার (৩৫) নামে এক রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর টেকনাফ মৌচনী ক্যাম্পে ইলিয়াছ নামে এক রোহিঙ্গাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় ক্যাম্পের বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। রোহিঙ্গা শিবির এখন অপরাধের আতুর ঘর। সরকারের মাথা ব্যাথার অন্যতম কারণ এই আশ্রিত শিবির।  শিবিরে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠছে রোহিঙ্গাদেরই একটা গোষ্ঠী! কারা নেপথ্যের কারিগর? বিদ্রোহী রোহিঙ্গা গ্রুপগুলোর  এধরণের কর্মকাণ্ডের ফলে শিবিরগুলোর নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলেও মনে করছেন স্বেচ্ছাসেবী রোহিঙ্গারা।

রাতে বেলা  শিবিরে স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের পাহারা দেওয়ার পদ্ধতি চালু তা থাকলেও তা মেনে নিতে পারছে না  বিদ্রোহী গ্রুপ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মতে যত দিন গড়াচ্ছে, রোহিঙ্গা শিবিরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ততটাই কঠিন হয়ে পড়ছে।  আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সহকারী পুলিশ সুপার (অপারেশন) মো. ফারুক আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, উখিয়া-টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি শিবিরগুলোতে নিরাপত্তায় প্রায় ৪ হাজার রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবী রয়েছে। শিবিরভিত্তিক সন্ত্রাসীরা স্বেচ্ছাসেবিদের টার্গেট করে হত্যা করছে। পুলিশ জানায়, গত জুলাই থেকে মাত্র তিন মাসে রোহিঙ্গা শিবিরে খুন হয়েছে অন্তত ১২ জন। যার  পাঁচ জন ছিল স্বেচ্ছাসেবক।