ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বক্ষব্যাধি হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য: পদে পদে হয়রানির শিকার রোগীরা উৎপাদন সক্ষমতার  নামে বিপর্যয়:  ৭ বছর ভর্তুকি বেড়েছে প্রায় ৬৩৩ শতাংশ ২,২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আবারও ট্রাইব্যুনালে বিএনপি চীন সফরে ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত বায়ুদূষণ : বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে ঢাকা শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা: বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান? বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী ইতালি মার্কিন আদালতের রায়েও বহাল ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক, নতুন অনিশ্চয়তায় রফতানিকারকরা

Forest Bandit : অপহরণের ছয়দিন পর উদ্ধার ১৫ জেলে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

বনদস্যুদের কবল থেকে ১১ জেলেকে উদ্ধার করে পুলিশ : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দস্যুদের আস্তানায় ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে একটি ফিশিং ট্রলারসহ কয়েকজন জেলে জিম্মি রয়েছে

১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি পায় ৪ জেল

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

সুন্দরবনের বনদস্যুর জিম্মিদশা থেকে অপহরণের ছয়দিন পর মুক্তি পেল ১৫ জেলে। বুধবার ১১ জন এবং মঙ্গলবার রাতে মুক্তিপণ দিয়ে ফেরেন ৪ জেলে। ১৩, ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের বেড়ির খাল, হরমল খাল ও হরিণটানা এলাকা থেকে নয়ন বাহিনীর সশস্ত্র দস্যু বাহিনী মুক্তিপণের দাবিতে এসব জেলেদের অপহরণ করেছিল।

অবশ্য বাগেরহাট জেলা পুলিশ দাবি করছে, তারা অপহরণের খবর পেয়ে জেলেদের উদ্ধারে শরণখোলা, মোংলা ও মোরেলগঞ্জ তিন থানার পুলিশ জেলেদের উদ্ধারে যৌথ অভিযান চালায়। পুলিশের তৎপরতায় দস্যুরা মুক্তিপণ ছাড়াই ১১ জেলেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

মুক্ত জেলেরা জানান, সদ্য আবির্ভুত বনদস্যু নয়ন বাহিনীতে সাত জন সদস্য রয়েছে। তাদের কাছে দুটি পাইপগান ও বেশ কিছু রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র রয়েছে। দস্যুদের আস্তানায় ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে এখনো একটি ফিশিং ট্রলারসহ কয়েকজন জেলে জিম্মি রয়েছে বলে তারা জানান।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে বাগেরহাট সদরের ডেমা কাশিমপুর গুচ্ছগ্রামের সোহেল মল্লিক (২৮), মোংলা উপজেলার বাজিকর খণ্ডের আসাদুল শেখ (৩৫) ও রামপাল উপজেলার বেতকাটা গ্রামের হানিফ হাওলাদারকে (৪৫) দস্যুদের নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের শরণখোলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার রাতে শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের সালাম হাওলাদার (৬৫), ইমাম খান (২৫), ছলেমান হাওলাদার (৩০) ও ইউসুফ হাওলাদার (৩৫) ১০ হাজার টাকা মুক্তিপন দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন।

জেলেরা জানান, তাদের মুক্তিপণের টাকার জন্য মারধর করত। কোনো দিন একবেলা আবার কোনো দিন মোটেও খাবার দিত না। তাদের মঙ্গলবার রাতে সুন্দরবনের হরিণটানা এলাকার একটি খালে ছেড়ে দেয় দস্যুরা। সেখান থেকে তারা সারারাত নৌকা বেয়ে বুধবার ভোরে লোকালয়ে এসে পৌঁছান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Forest Bandit : অপহরণের ছয়দিন পর উদ্ধার ১৫ জেলে

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২২

দস্যুদের আস্তানায় ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে একটি ফিশিং ট্রলারসহ কয়েকজন জেলে জিম্মি রয়েছে

১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি পায় ৪ জেল

 

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

সুন্দরবনের বনদস্যুর জিম্মিদশা থেকে অপহরণের ছয়দিন পর মুক্তি পেল ১৫ জেলে। বুধবার ১১ জন এবং মঙ্গলবার রাতে মুক্তিপণ দিয়ে ফেরেন ৪ জেলে। ১৩, ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের বেড়ির খাল, হরমল খাল ও হরিণটানা এলাকা থেকে নয়ন বাহিনীর সশস্ত্র দস্যু বাহিনী মুক্তিপণের দাবিতে এসব জেলেদের অপহরণ করেছিল।

অবশ্য বাগেরহাট জেলা পুলিশ দাবি করছে, তারা অপহরণের খবর পেয়ে জেলেদের উদ্ধারে শরণখোলা, মোংলা ও মোরেলগঞ্জ তিন থানার পুলিশ জেলেদের উদ্ধারে যৌথ অভিযান চালায়। পুলিশের তৎপরতায় দস্যুরা মুক্তিপণ ছাড়াই ১১ জেলেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

মুক্ত জেলেরা জানান, সদ্য আবির্ভুত বনদস্যু নয়ন বাহিনীতে সাত জন সদস্য রয়েছে। তাদের কাছে দুটি পাইপগান ও বেশ কিছু রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র রয়েছে। দস্যুদের আস্তানায় ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে এখনো একটি ফিশিং ট্রলারসহ কয়েকজন জেলে জিম্মি রয়েছে বলে তারা জানান।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে বাগেরহাট সদরের ডেমা কাশিমপুর গুচ্ছগ্রামের সোহেল মল্লিক (২৮), মোংলা উপজেলার বাজিকর খণ্ডের আসাদুল শেখ (৩৫) ও রামপাল উপজেলার বেতকাটা গ্রামের হানিফ হাওলাদারকে (৪৫) দস্যুদের নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের শরণখোলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার রাতে শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের সালাম হাওলাদার (৬৫), ইমাম খান (২৫), ছলেমান হাওলাদার (৩০) ও ইউসুফ হাওলাদার (৩৫) ১০ হাজার টাকা মুক্তিপন দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন।

জেলেরা জানান, তাদের মুক্তিপণের টাকার জন্য মারধর করত। কোনো দিন একবেলা আবার কোনো দিন মোটেও খাবার দিত না। তাদের মঙ্গলবার রাতে সুন্দরবনের হরিণটানা এলাকার একটি খালে ছেড়ে দেয় দস্যুরা। সেখান থেকে তারা সারারাত নৌকা বেয়ে বুধবার ভোরে লোকালয়ে এসে পৌঁছান।