ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জব্বারের বলীখেলায় ইতিহাস: হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ উত্তরাঞ্চলে অতিবৃষ্টির শঙ্কা: সিলেট-সুনামগঞ্জে সাময়িক বন্যার পূর্বাভাস বিয়াম স্কুলে শিশুদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবকদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষায় আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের ২৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্কারে জোর দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: নজরদারি বাড়িয়েছে সিটিটিসি নির্বাচনের আগেই অস্থিতিশীলতার ষড়যন্ত্র: জামায়াতকে কড়া জবাব মির্জা ফখরুলের লোডশেডিং ৩০০০ মেগাওয়াট : গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুতের লোডশেডিং বাড়ছে ১৭ জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত, ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও ভ্যাপসা গরম

Earthquake in Turkey-Syria : তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৩০০

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২০০ বার পড়া হয়েছে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্কে উদ্ধার তৎপরতা চলছে : ছবি টুইটার

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংবাদ সংস্থা

ধ্বংস স্তুপ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারে যখন হিমশিম খাচ্ছে উদ্ধারকর্মীরা, তখন দুপুরে ফের কেঁপি ওঠে তুরস্ক। ভোরবেলা প্রকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসে তুরস্কে।

ভোরবেলায় তুরস্কের উত্তর-পূর্ব ভাগ আক্রান্ত হয়েছিল। আর দুপুরে কাঁপল তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত এবং প্রতিবেশী সিরিয়ার কিছু কিছু এলাকা।

সোমবার দুপুরে ওই কম্পন যখন হয়েছে, তখন বাংলাদেশ সময় বিকেল চারটে। তুরস্ক প্রশাসন বলছে, প্রথম বারের কম্পনের ধাক্কায় মৃতের সংখ্যা ১৩০০ ছুঁয়েছে। তবে দ্বিতীয় বারের কম্পনের জেরে নতুন করে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি তুরস্ক প্রশাসন।

ইস্তানবুলের কান্দিল্লি মানমন্দির শুধু জানিয়েছে, ভোরবেলার থেকে খুব একটা কম ছিল না এই দ্বিতীয় ভূমিকম্পের তীব্রতা। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। প্রথম কম্পনটির মাত্রা ৭.৮। স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৪ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। কাহরামানমারাস প্রদেশে ছিল ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল।

ফের জোরালো কম্পন  বিকাল চারটে। ছবি : টুইটার থেকে।

দক্ষিণ তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১৩০০ ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে তুরস্কে ৯১২ জন এবং সিরিয়ায় ৪৬৭ জন। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ এরদোয়ান বলেছেন, ভূমিকম্পের শুধু তুরস্কেই ৯১২ জন নিহত এবং ৫ হাজার ৩৮৩ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে, মৃতের সংখ্যা কতটা বাড়বে তা অনুমান করা যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক শতাব্দীর মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের একটি। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৮ । এটি স্থানীয় সময় সোমবার ভোর সোয়া চারটার দিকে আঘাত হানে। গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে। এ সময়ে লোকজন ঘুমিয়ে ছিল।

ধ্বংস্তুপের নীচের অনেক লোক চাপা পড়ে আছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে বহু সরকারি ভবন ধসে পড়েছে। ভেতরে অনেক লোক আটকা পড়ে আছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসিপ তায়িপ এরদোয়ান সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, তুরস্ক পৃথিবীর অন্যতম ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা। দেশটিতে ১৯৯৯ সালে শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে ১৭ হাজার লোক নিহত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Earthquake in Turkey-Syria : তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্প, মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ১৩০০

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

সংবাদ সংস্থা

ধ্বংস স্তুপ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারে যখন হিমশিম খাচ্ছে উদ্ধারকর্মীরা, তখন দুপুরে ফের কেঁপি ওঠে তুরস্ক। ভোরবেলা প্রকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসে তুরস্কে।

ভোরবেলায় তুরস্কের উত্তর-পূর্ব ভাগ আক্রান্ত হয়েছিল। আর দুপুরে কাঁপল তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত এবং প্রতিবেশী সিরিয়ার কিছু কিছু এলাকা।

সোমবার দুপুরে ওই কম্পন যখন হয়েছে, তখন বাংলাদেশ সময় বিকেল চারটে। তুরস্ক প্রশাসন বলছে, প্রথম বারের কম্পনের ধাক্কায় মৃতের সংখ্যা ১৩০০ ছুঁয়েছে। তবে দ্বিতীয় বারের কম্পনের জেরে নতুন করে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি তুরস্ক প্রশাসন।

ইস্তানবুলের কান্দিল্লি মানমন্দির শুধু জানিয়েছে, ভোরবেলার থেকে খুব একটা কম ছিল না এই দ্বিতীয় ভূমিকম্পের তীব্রতা। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। প্রথম কম্পনটির মাত্রা ৭.৮। স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৪ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। কাহরামানমারাস প্রদেশে ছিল ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল।

ফের জোরালো কম্পন  বিকাল চারটে। ছবি : টুইটার থেকে।

দক্ষিণ তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১৩০০ ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে তুরস্কে ৯১২ জন এবং সিরিয়ায় ৪৬৭ জন। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ এরদোয়ান বলেছেন, ভূমিকম্পের শুধু তুরস্কেই ৯১২ জন নিহত এবং ৫ হাজার ৩৮৩ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে, মৃতের সংখ্যা কতটা বাড়বে তা অনুমান করা যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক শতাব্দীর মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের একটি। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৮ । এটি স্থানীয় সময় সোমবার ভোর সোয়া চারটার দিকে আঘাত হানে। গাজিয়ানতেপ শহরের কাছে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে। এ সময়ে লোকজন ঘুমিয়ে ছিল।

ধ্বংস্তুপের নীচের অনেক লোক চাপা পড়ে আছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে বহু সরকারি ভবন ধসে পড়েছে। ভেতরে অনেক লোক আটকা পড়ে আছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসিপ তায়িপ এরদোয়ান সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, তুরস্ক পৃথিবীর অন্যতম ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা। দেশটিতে ১৯৯৯ সালে শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে ১৭ হাজার লোক নিহত হয়।