ঢাকা ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

জেনেভায় পাক দূতাবাসে ২০ বছর ধরে কর্মীদের বেতন না দেওয়ার অভিযোগ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
 পাকিস্তানি দূতাবাস
জেনেভায় পাকিস্তানি দূতাবাসে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ছয় ফিলিপিনো কর্মীকে বেতন না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চুক্তি অনুযায়ী, কর্মীরা সঠিক মজুরি, বাসস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য হলেও পাকিস্তানি মিশনের বিরুদ্ধে তারা অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন।

সুইসইনফো জানিয়েছে, ‘পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বৈধতা কার্ডের অপব্যবহার করেছেন। কর্মকর্তারা তাদের কোনও ক্ষতিপূরণ ছাড়াই সপ্তাহে ১০ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে সম্মত হতে বাধ্য করেছিলেন।’ এছাড়াও জেনেভার মতো শহরে বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ অর্থ দরকার, আর তাই অন্যত্রও কাজ করতে হয়েছিল।

আন্তঃপেশাদার ট্রেড ইউনিয়নের সহায়তায় জেনেভা পাবলিক প্রসিকিউটর অফিসে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, সিট ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের প্রধান মিরেলা ফালকো সুইসইনফোকে বলেন, কয়েক দশক ধরে এই গৃহকর্মীরা তাদের বাসস্থানের মর্যাদা হারানোর ভয়ে চুপ করে আছেন। যদি তাদের বরখাস্ত করা হয়, তাহলে তাদের কাছে অন্য কূটনৈতিক নিয়োগকর্তা খুঁজে পেতে দুই মাস সময় রয়েছে। যদি তা না হয়, তাহলে তাদের চলে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

কর্মচারীরা সুইজারল্যান্ডের বিচার মন্ত্রী কারিন কেলার-সাটার এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিসের কাছে আবেদন করেছেন। চিঠিতে তারা বিবিন্ন ধরনের অত্যাচার সহ্য করার বর্ণনা দিয়ে সুইস সরকারের কাছে সমর্থন চেয়েছেন।

ইউনিয়ন সরকারকে এই অপব্যবহার বন্ধ করার জন্য পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করছে, যার মধ্যে রয়েছে কূটনৈতিক সম্প্রদায়ে কাজের পরিস্থিতি এবং বাসস্থানের অনুমতি নিয়ন্ত্রণের বিধিমালা কঠোর করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :