ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারে একমত বাংলাদেশ-রাশিয়া

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ১৫১ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহিত ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া। সোমবার মস্কোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি সমসাময়িক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এটি ছিল ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। বৈঠকে লাভরভ তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা শক্তিশালী করতে রাশিয়া পূর্ণ সমর্থন দেবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশন বাস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ হবে।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-রাশিয়া কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫ বছর পূর্তি দুই দেশের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। বাণিজ্য, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় নতুন উদ্যোগ গ্রহণেরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অবদান এবং স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম বন্দর মাইনমুক্ত করতে সোভিয়েত নৌবাহিনীর ভূমিকার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্য, শিক্ষা, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতে দুই দেশের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে তিনি বাংলাদেশ-রাশিয়া অংশীদারিত্বের অন্যতম উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং প্রকল্পটির দ্রুত পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের আশা ব্যক্ত করেন।

বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের মন্ত্রীরা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে জ্বালানি, শিক্ষা ও কারিগরি খাতেও সহযোগিতা ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :