ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ
- আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে ৫ লাখের অধিক চামড়া এসেছে। এগুলোর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া ৫ লাখ ৬ হাজার ৭০৪টি এবং ছাগল ও ভেড়ার চামড়া ১৬ হাজার ১৩৬টি। ১ হাজার ৬৮৩টি ট্রাকে এসব চামড়া শিল্পনগরীর ট্যানারিগুলোতে এসেছে।
অবশ্য এবারে ঢাকায় প্রায় ৭ লাখ পশু কোরবানি হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। বাকী প্রায় ২ লাখ চামড়ার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
দেশে মোট ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৯১ হাজার ৪৯টি বেশি। এবার সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম হয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে ।
তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় এবারের ঈদুল আজহায় প্রায় ৭ লাখ পশু কোরবানি হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় কোরবানি হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকাসহ আশপাশের অংশে আরও প্রায় ৫ লাখ পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মাঠপর্যায়ে জরিপ চালিয়ে কোরবানির পশু ও বর্জ্যের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে।
মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে ২৫ লাখ ৪৮ হাজার ১৮৪টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭৭টি, রাজশাহী বিভাগে ২১ লাখ ৩২ হাজার ৪৬৯টি, খুলনা বিভাগে ৯ লাখ ৪৯ হাজার ৫৮১টি, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ৩০ হাজার ৬৭৩টি, সিলেট বিভাগে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯টি, রংপুর বিভাগে ১১ লাখ ৪৯ হাজার ১৮৭টি ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯০২টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ লাখ ৮১ হাজার ৬০টি গরু, ১ লাখ ৭ হাজার ৮৭৫টি মহিষ, ৪৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩২৮টি ছাগল, ৫ লাখ ২ হাজার ৩০৭টি ভেড়া ও ১ হাজার ২৪২টি অন্যান্য পশু।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ তথ্য মতে, এ বছর সারা দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি।
সাভার চামড়া শিল্পনগরী পরিদর্শনে এসে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মোক্তাদির বলেন, চামড়া রপ্তানি নয়, চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করতে সরকার কাজ করছে। শিল্পনগীরর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার পরিদর্শন করে বাণিজ্যমন্ত্রী।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। তবে পুরো স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অব্যবস্থাপনা হয়েছে, যার কারণে শিল্পের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। স্থানান্তরিত হওয়ার সময় অনেকগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান মাঝ পথে হারিয়ে গেছে।
হারিয়ে যাওয়া শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সচল করতে নতুন বিনিয়োগকারীদের আনবার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, আগামী অল্পকিছু দিনের মধ্যে ইতালিয়ান একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সিইটিপিকে উন্নত করতে একটি প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। এরপর সিইটিপির বিষয়ে পরবর্তী কাজ করা হবে। পরে তিনি ট্যানারির বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শন করেন ও মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।



















