ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, থাকছেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী  চামড়া সংগ্রহকারীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে সরকারের নজর থাকবে : বাণিজ্যমন্ত্রী দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: অবহেলা, শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ নাকি অন্য কিছু প্রশ্নের মুখে কর্তৃপক্ষ

অর্থনৈতিক সক্ষমতা : ১০০ দিনে ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের  বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ বাংলাদেশের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত ‘সরকারের ১০০ দিন’ পূর্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

ড. মাহদী আমিন বলেন, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে সরকার বিশ্বকে বার্তা দিয়েছে যে বাংলাদেশ এখন আর্থিকভাবে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা পালনে সক্ষম।

তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য শুধু অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিক নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক খাত, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকার জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ১০টি দেশের সঙ্গে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ইতোমধ্যে তিনটি দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

সরকারের এমন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দেবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনৈতিক সংস্কার, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও অর্থপাচার রোধে সরকারের ধারাবাহিক পদক্ষেপকে দেশের উন্নয়নযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অর্থনৈতিক সক্ষমতা : ১০০ দিনে ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের  বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত ‘সরকারের ১০০ দিন’ পূর্তি উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

ড. মাহদী আমিন বলেন, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে সরকার বিশ্বকে বার্তা দিয়েছে যে বাংলাদেশ এখন আর্থিকভাবে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা পালনে সক্ষম।

তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য শুধু অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিক নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক খাত, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকার জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ১০টি দেশের সঙ্গে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ইতোমধ্যে তিনটি দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

সরকারের এমন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দেবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনৈতিক সংস্কার, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও অর্থপাচার রোধে সরকারের ধারাবাহিক পদক্ষেপকে দেশের উন্নয়নযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।