ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সরকার প্রাথমিকভাবে ১০টি দেশ চিহ্নিত করে তাদের সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তার জন্য চুক্তি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে। ইতোমধ্যে তিনটি দেশ-মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাত, চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মতি দিয়েছে, আর বাকি সাতটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি মো. কামরুজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, পাচারের অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ‘পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি’ এবং তথ্য বিনিময়ের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্সের অধীনে দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ তদন্ত দল কাজ করছে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২৫ মার্চ পর্যন্ত আদালতের মাধ্যমে দেশে ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি টাকার সম্পদ এবং বিদেশে ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে।

পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে এখন পর্যন্ত ১৪১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টির অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে এবং ছয়টি মামলার রায় হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিটের অধীনে ‘স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি ডিভিশন’ গঠন করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার অবৈধভাবে পাচার হয়েছে বলে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যে উঠে এসেছে। এ প্রেক্ষাপটে দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের অগ্রাধিকার।

সংসদ অধিবেশনটি বিকাল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :