ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা

হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ৩৮ শিশুর প্রাণহানি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ৩৮ শিশুর প্রাণহানি: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি বছর দেশে হাম রোগে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাবনা সহ বিভিন্ন জেলায় রোগটি ছড়িয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু। রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউটে , ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে , চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবং রাজশাহী পাবনায় শিশু মারা গেছে। অনুমান করা হচ্ছে, জেলা বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ বা তারও বেশি হতে পারে।

মহাখালীর ১০০ শয্যার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বছর ৫৬০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, চলতি মাসের ২৯ দিনে ৪৪৮ জন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও আলাদা আইসোলেশন সেন্টার চালু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ এবং নোয়াখালীতে ৩০০এর বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা টিকা না দেওয়াকে মূল কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক প্রধান ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ভালো হলেও দ্বিতীয় ডোজে অনীহা বেশি। এছাড়া ভিটামিন কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো না হওয়ায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমেছে।

ইপিআই পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, সর্বশেষ বিশেষ টিকা কর্মসূচি ২০২০ সালে হয়েছিল, ২০২৪ সালে পরিচালনা হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, টিকার মজুদ কম, মাঠ পর্যায়ে মাত্র এক মাসের সরবরাহ। তবে বিশেষ ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা দেশে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার আগে বা পরে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে পারে।

হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এনসেফালাইটিস হতে পারে। তাই ভিটামিন, পুষ্টিকর খাবার এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ৩৮ শিশুর প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

চলতি বছর দেশে হাম রোগে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাবনা সহ বিভিন্ন জেলায় রোগটি ছড়িয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু। রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউটে , ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে , চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবং রাজশাহী পাবনায় শিশু মারা গেছে। অনুমান করা হচ্ছে, জেলা বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ বা তারও বেশি হতে পারে।

মহাখালীর ১০০ শয্যার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বছর ৫৬০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, চলতি মাসের ২৯ দিনে ৪৪৮ জন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও আলাদা আইসোলেশন সেন্টার চালু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ এবং নোয়াখালীতে ৩০০এর বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা টিকা না দেওয়াকে মূল কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক প্রধান ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ভালো হলেও দ্বিতীয় ডোজে অনীহা বেশি। এছাড়া ভিটামিন কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো না হওয়ায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমেছে।

ইপিআই পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, সর্বশেষ বিশেষ টিকা কর্মসূচি ২০২০ সালে হয়েছিল, ২০২৪ সালে পরিচালনা হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, টিকার মজুদ কম, মাঠ পর্যায়ে মাত্র এক মাসের সরবরাহ। তবে বিশেষ ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা দেশে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার আগে বা পরে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে পারে।

হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এনসেফালাইটিস হতে পারে। তাই ভিটামিন, পুষ্টিকর খাবার এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা জরুরি।