ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ৩৮ শিশুর প্রাণহানি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ৩৮ শিশুর প্রাণহানি: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি বছর দেশে হাম রোগে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাবনা সহ বিভিন্ন জেলায় রোগটি ছড়িয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু। রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউটে , ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে , চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবং রাজশাহী পাবনায় শিশু মারা গেছে। অনুমান করা হচ্ছে, জেলা বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ বা তারও বেশি হতে পারে।

মহাখালীর ১০০ শয্যার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বছর ৫৬০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, চলতি মাসের ২৯ দিনে ৪৪৮ জন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও আলাদা আইসোলেশন সেন্টার চালু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ এবং নোয়াখালীতে ৩০০এর বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা টিকা না দেওয়াকে মূল কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক প্রধান ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ভালো হলেও দ্বিতীয় ডোজে অনীহা বেশি। এছাড়া ভিটামিন কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো না হওয়ায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমেছে।

ইপিআই পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, সর্বশেষ বিশেষ টিকা কর্মসূচি ২০২০ সালে হয়েছিল, ২০২৪ সালে পরিচালনা হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, টিকার মজুদ কম, মাঠ পর্যায়ে মাত্র এক মাসের সরবরাহ। তবে বিশেষ ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা দেশে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার আগে বা পরে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে পারে।

হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এনসেফালাইটিস হতে পারে। তাই ভিটামিন, পুষ্টিকর খাবার এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাম প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার নিচ্ছে, ৩৮ শিশুর প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

চলতি বছর দেশে হাম রোগে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পাবনা সহ বিভিন্ন জেলায় রোগটি ছড়িয়েছে। এর মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু। রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউটে , ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে , চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবং রাজশাহী পাবনায় শিশু মারা গেছে। অনুমান করা হচ্ছে, জেলা বেসরকারি হাসপাতালের তথ্য মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ বা তারও বেশি হতে পারে।

মহাখালীর ১০০ শয্যার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বছর ৫৬০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, চলতি মাসের ২৯ দিনে ৪৪৮ জন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও আলাদা আইসোলেশন সেন্টার চালু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ এবং নোয়াখালীতে ৩০০এর বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা টিকা না দেওয়াকে মূল কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক প্রধান ডা. লুৎফুন্নেসা বলেন, প্রথম ডোজ নেওয়ার হার ভালো হলেও দ্বিতীয় ডোজে অনীহা বেশি। এছাড়া ভিটামিন কৃমিনাশক বড়ি খাওয়ানো না হওয়ায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমেছে।

ইপিআই পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, সর্বশেষ বিশেষ টিকা কর্মসূচি ২০২০ সালে হয়েছিল, ২০২৪ সালে পরিচালনা হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, টিকার মজুদ কম, মাঠ পর্যায়ে মাত্র এক মাসের সরবরাহ। তবে বিশেষ ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা দেশে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার আগে বা পরে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে পারে।

হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এনসেফালাইটিস হতে পারে। তাই ভিটামিন, পুষ্টিকর খাবার এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা জরুরি।