ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

সাংবাদিকদের বিশেষ মর্যাদা দেন বঙ্গবন্ধু, কেড়ে নেয় বিএনপি, ফেরাতে কাজ করছেন হাসিনা সরকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০ ৬২৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের যে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলেন, ২০০৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় মসনদে বসেই কলমের এক খোঁচায় তা কেড়ে নিয়েছিলো। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার সেই মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সেই আইন সংশোধনের কাজ চলছে। সংশোধিত আইনের খসড়া ইতোমধ্যেই নীতিগত অনুমোদন পাবার কথাও জানালেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি এও জানালেন, খসড়া আইনটি এখন আইন মন্ত্রকে নিরীক্ষাধীন। শিগগিরই এটি মন্ত্রিসভা হয়ে সংসদে উত্থাপনের আশা করেন। আইনটি পাশ হলে সাংবাদিকদের কেড়ে নেওয়া মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে করোনা মহামারিকালিন বহু সাংবাদিক বেকার, চাকরি হারানো থেকে শুরু করে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়। সাংবাদিকদের এই মানবিক বিপর্যয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় বিপর্যয় থেকে শুরু করে কোন সমস্যায় তিনি নির্দেশনা দেননি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দলমত নির্বিশেষে সাংবাদিকদের এককালীন সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেয় তথ্যমন্ত্রক। তথ্যমন্ত্রী বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, করোনাকালে উপমহাদেশের কোথাও যে কাজটি করা হয়নি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেটি করা হচ্ছে। চাকরিচ্যুতি, বেতন না পাওয়া বা দীর্ঘ বেকারত্ব এই তিন ক্যাটাগরির সাংবাদিকদের এককালীন সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে দেড় হাজার সাংবাদিককে এই সাহায্য দেয়া হয়েছে এবং এটি অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার অপরাহ্নে ঢাকায় বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট (পিআইবি) মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহায়তায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত এ সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা তুলে ধরেন সাংবাদিক বন্ধন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এসময় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের অনেক উচ্চাসনে বসিয়েছিলেন। তাঁর হাত ধরে প্রেস ইন্সটিটিউট, প্রেস কাউন্সিলই কেবল গঠিত হয়নি। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ডও গঠিত হয়েছিলো। জাতিরজনকই সাংবাদিকদের বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলেন। ২০০৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে কলমের এক খোঁচায় তা কেড়ে নিয়ে সাংবাদিকদের শ্রমিকদের কাতারে টেনে আনছেন। অর্থাৎ সাংবাদিকদের বিশেষ মর্যাদাটা কেড়ে নেয়া হলো। বিএনপি সাংবাদিক এবং শ্রমিকের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখেনি। যা অত্যন্ত দুঃখজনকই নয়, ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়। সরকারের সিদ্ধান্তে করোনাকালীন সহায়তা দলমত নির্বিশেষে দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যারা প্রেসক্লাবের সামনে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বা মানববন্ধন করে, গলা উঁচু করে বক্তৃতা করেন, তাদেরকেও শেখ হাসিনার সরকারই সাহায্যের আওতায় এনেছেন।
সরকারের নির্দেশনা মতো অর্থাৎ দলমত নির্বিশেষে সহায়তার আনার জন্য ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয় এবং অংগসংগঠনগুলোকে ধন্যবাদ জানিে ছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সহায়তা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল বা শ্রীলঙ্কা কোথাও দেয়া হচ্ছে না। করোনায় কোনো সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবারকে সাহায্য দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকদের তরফে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবার জন্য সাংবাদিক সংগঠনলোকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি দুঃসময়ে সাংবাদিকদের পাশে দাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী। মন্ত্রী এসময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে শহীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল সদস্য, শহীদ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

পিআইবির মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদ সভায় মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, বাঙালির জীবনের সবচেয়ে বড়ো অধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, যিনি আন্দোলন-সংগ্রাম-সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়েছেন। পঁচাত্তর-পরবর্তী জান্তা ও নির্বাচিত শাসকরা তার নামোচ্চারণ নিষিদ্ধ করেছিল। ইতিহাসসহ সব স্থাপনা থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল তার নাম। কিন্তু সব দুর্ভেদ্য অন্ধকার ভেদ করে তিনি ক্রমাগত আলোকিত হয়ে উঠেছেন।

সভাপতির বক্তৃতায় তথ্যসচিব কামরুন নাহার বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই ঘরে ঘরে জেগে উঠবে লক্ষ মুজিব। বাংলাদেশ হবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা। তথ্যসচিব সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও পিআইবি পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ ও ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাংবাদিকদের বিশেষ মর্যাদা দেন বঙ্গবন্ধু, কেড়ে নেয় বিএনপি, ফেরাতে কাজ করছেন হাসিনা সরকার

আপডেট সময় : ০৫:০২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের যে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলেন, ২০০৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় মসনদে বসেই কলমের এক খোঁচায় তা কেড়ে নিয়েছিলো। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার সেই মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সেই আইন সংশোধনের কাজ চলছে। সংশোধিত আইনের খসড়া ইতোমধ্যেই নীতিগত অনুমোদন পাবার কথাও জানালেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি এও জানালেন, খসড়া আইনটি এখন আইন মন্ত্রকে নিরীক্ষাধীন। শিগগিরই এটি মন্ত্রিসভা হয়ে সংসদে উত্থাপনের আশা করেন। আইনটি পাশ হলে সাংবাদিকদের কেড়ে নেওয়া মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে করোনা মহামারিকালিন বহু সাংবাদিক বেকার, চাকরি হারানো থেকে শুরু করে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়। সাংবাদিকদের এই মানবিক বিপর্যয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় বিপর্যয় থেকে শুরু করে কোন সমস্যায় তিনি নির্দেশনা দেননি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দলমত নির্বিশেষে সাংবাদিকদের এককালীন সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেয় তথ্যমন্ত্রক। তথ্যমন্ত্রী বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, করোনাকালে উপমহাদেশের কোথাও যে কাজটি করা হয়নি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেটি করা হচ্ছে। চাকরিচ্যুতি, বেতন না পাওয়া বা দীর্ঘ বেকারত্ব এই তিন ক্যাটাগরির সাংবাদিকদের এককালীন সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে দেড় হাজার সাংবাদিককে এই সাহায্য দেয়া হয়েছে এবং এটি অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার অপরাহ্নে ঢাকায় বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট (পিআইবি) মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহায়তায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত এ সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা তুলে ধরেন সাংবাদিক বন্ধন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এসময় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের অনেক উচ্চাসনে বসিয়েছিলেন। তাঁর হাত ধরে প্রেস ইন্সটিটিউট, প্রেস কাউন্সিলই কেবল গঠিত হয়নি। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ডও গঠিত হয়েছিলো। জাতিরজনকই সাংবাদিকদের বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলেন। ২০০৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে কলমের এক খোঁচায় তা কেড়ে নিয়ে সাংবাদিকদের শ্রমিকদের কাতারে টেনে আনছেন। অর্থাৎ সাংবাদিকদের বিশেষ মর্যাদাটা কেড়ে নেয়া হলো। বিএনপি সাংবাদিক এবং শ্রমিকের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখেনি। যা অত্যন্ত দুঃখজনকই নয়, ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয়। সরকারের সিদ্ধান্তে করোনাকালীন সহায়তা দলমত নির্বিশেষে দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যারা প্রেসক্লাবের সামনে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বা মানববন্ধন করে, গলা উঁচু করে বক্তৃতা করেন, তাদেরকেও শেখ হাসিনার সরকারই সাহায্যের আওতায় এনেছেন।
সরকারের নির্দেশনা মতো অর্থাৎ দলমত নির্বিশেষে সহায়তার আনার জন্য ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয় এবং অংগসংগঠনগুলোকে ধন্যবাদ জানিে ছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সহায়তা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল বা শ্রীলঙ্কা কোথাও দেয়া হচ্ছে না। করোনায় কোনো সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবারকে সাহায্য দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকদের তরফে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবার জন্য সাংবাদিক সংগঠনলোকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি দুঃসময়ে সাংবাদিকদের পাশে দাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী। মন্ত্রী এসময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে শহীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল সদস্য, শহীদ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

পিআইবির মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদ সভায় মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, বাঙালির জীবনের সবচেয়ে বড়ো অধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, যিনি আন্দোলন-সংগ্রাম-সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়েছেন। পঁচাত্তর-পরবর্তী জান্তা ও নির্বাচিত শাসকরা তার নামোচ্চারণ নিষিদ্ধ করেছিল। ইতিহাসসহ সব স্থাপনা থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল তার নাম। কিন্তু সব দুর্ভেদ্য অন্ধকার ভেদ করে তিনি ক্রমাগত আলোকিত হয়ে উঠেছেন।

সভাপতির বক্তৃতায় তথ্যসচিব কামরুন নাহার বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই ঘরে ঘরে জেগে উঠবে লক্ষ মুজিব। বাংলাদেশ হবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা। তথ্যসচিব সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও পিআইবি পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ ও ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু।