ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

ভারতের পাঞ্জাবে মদ পানে ৮৬ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২০ ৬৭৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
ভারতে ভেজার মদ পানে প্রতিবছর শ শ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় অনেকেই অবৈধভাবে একসঙ্গে প্রচুর মদ তৈরি করে রাখা হয়। এরপর রাস্তার পাশের ছোট ছোট দোকানগুলোতে এসব মদ বিক্রি করা হয়। ওসব দোকানের আড্ডার সঙ্গে চরে মদ পান। দামেও সস্তা। এসব মদ খেয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। যাদের অনেকে সউস্থ হয়ে ওঠেন না। অনেকে আবার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।
বিন্তু এবারে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে ঘটে গেলো বড় ধরণের ঘটনা। ভেজাল মদ খেয়ে কয়েকদিনে কমপক্ষে ৮৬ জন মারা যান। শনিবার পুলিশ শতাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে অনেক মদ জব্দ এবং ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবারের ঘটনায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং ভেজাল মদ খেয়ে এত মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। দেশটির উত্তরাঞ্চলের ওই প্রদেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের একথা জানিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
আরও জানা যায়, শুক্রবারও মদ না পেয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার খেয়ে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে ১০ জন মারা গেছেন। অনুমোদন নিয়ে তৈরি মদের চেয়ে ভারতে ভেজাল মদ পাওয়া যায় সাধারণ গ্রাম কিংবা মফস্বল এলাকাগুলোতে। আর এসব মদ খেয়ে গ্রামীণ এলাকাগুলোতেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ভেজাল মদ প্রস্তুতকারকরা মাঝে মধ্যেই এসব মদে মিথানল মিশিয়ে থাকেন। এটি অ্যালকোহলের একটি অত্যধিক বিষাক্ত রূপ যা কখনও কখনও এর শক্তি বাড়ানোর জন্য মদের মিশ্রণে অ্যান্টি-ফ্রিজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যদি অল্প পরিমাণেও খাওয়া হয় তবে মিথানল অন্ধত্ব, লিভার অচল এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :