ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব: বাহরাইনে পঞ্চম মার্কিন নৌবহর ও জর্ডানে বিমানঘাঁটিতে হামলা দাবি ইরানের   চা-বাগানের সবুজে চা-বাগানের সবুজে ধরা দিল দুর্লভ চিতাবিড়াল ঢলনের চাপে আমচাষি, কেজিভিত্তিক বেচাকেনার সিদ্ধান্তেও মিলছে না সুফল বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ: শিগগিরই জারি হচ্ছে নবম পে-স্কেলের গেজেট পুশইন বিতর্ক, কূটনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ প্রথম বাজেটেই জনগণের আস্থা জয়ের বার্তা নতুন সরকারের ১০০ কোটির প্রথম নায়িকা, বিয়ের পরই রুপালি পর্দা থেকে বিদায়, এখন কোথায় আসিন? টসে হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ১৫ বছর পর দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু ইসরায়েলকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প: ইরানে হামলা হলে পাশে থাকবে না ওয়াশিংটন ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত প্রায় ১০ হাজার পরিবার

এমপি আনারের দেহাংশের সঙ্গে মেয়ের ডিএনএ মিল

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

কতকাতায় খুন হওয়া বাংলাদেশের সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহের খণ্ডিতাংশের সঙ্গে মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন’র ডিএন এ টেস্ট মেলার খবর প্রকাশ করেছে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম।

পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি সূত্রের উদ্ধৃতি এসব সংবাদ ছাপা হয়েছে। তবে কলকাতার ভবানী ভবন থেকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে, এ নিয়ে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেই।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাবেক এমপি আনারের পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে আনারের ছোট মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন কলকাতায় গিয়েছিলেন ডিএনএ নমুনা দেয়ার জন্য।

আনোয়ারুল আজিম আনারের ব্যক্তিগত সরকারী আব্দুর রউফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঢাকার কয়েকটি গণমাধ্যম সূত্রে তারা জানতে পেরেছেন যে আনারের সঙ্গে তার কন্যা ডরিনের ডিএনএ মিল পাওয়া গেছে। তবে অফিশিয়ালভাবে কলকাতা সিআইডি তাদেরকে কিছু জানায়নি।

চলতি বছরের মে মাসে কলকাতার নিউটাউনে রহস্যজনকভাবে হত্যার শিকার হন তিনবারের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার। এটি ছিল ভারতের মাটিতে প্রথম কোনো বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনা। ফলে গুরুত্ব বিবেচনায় মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় সিআইডি এবং কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ইউনিটকে।

সিআইডির দাবি, ১৩ মে কলকাতার অদূরে নিউটাউনের একটি আবাসনের তৎকালীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য খুন হন। এর এক সপ্তাহ পর আবাসনের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু মাংসপিণ্ড।

এছাড়া কলকাতার অদূরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাগজোলা খাল থেকেও মাংসপিণ্ডের অস্তিত্বের খোঁজ পান তদন্তকারী গোয়েন্দারা। উদ্ধার হওয়া মাংসপিণ্ডের ফরেনসিক রিপোর্টও এখনো প্রকাশ্যে আনেনি সিআইডি।

এর মধ্যেই নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনেকটা গোপনেই কলকাতা এসে ডিএনএ নমুনা দিয়ে যান এমপি কন্যা ডরিন। এর তিন সপ্তাহ পর ডরিনের দেয়া ডিএনএ স্যাম্পল তার বাবার দেহাংশের সঙ্গে মিলেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এমপি আনারের দেহাংশের সঙ্গে মেয়ের ডিএনএ মিল

আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

 

কতকাতায় খুন হওয়া বাংলাদেশের সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহের খণ্ডিতাংশের সঙ্গে মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন’র ডিএন এ টেস্ট মেলার খবর প্রকাশ করেছে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম।

পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি সূত্রের উদ্ধৃতি এসব সংবাদ ছাপা হয়েছে। তবে কলকাতার ভবানী ভবন থেকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে, এ নিয়ে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেই।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাবেক এমপি আনারের পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে আনারের ছোট মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন কলকাতায় গিয়েছিলেন ডিএনএ নমুনা দেয়ার জন্য।

আনোয়ারুল আজিম আনারের ব্যক্তিগত সরকারী আব্দুর রউফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঢাকার কয়েকটি গণমাধ্যম সূত্রে তারা জানতে পেরেছেন যে আনারের সঙ্গে তার কন্যা ডরিনের ডিএনএ মিল পাওয়া গেছে। তবে অফিশিয়ালভাবে কলকাতা সিআইডি তাদেরকে কিছু জানায়নি।

চলতি বছরের মে মাসে কলকাতার নিউটাউনে রহস্যজনকভাবে হত্যার শিকার হন তিনবারের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার। এটি ছিল ভারতের মাটিতে প্রথম কোনো বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনা। ফলে গুরুত্ব বিবেচনায় মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় সিআইডি এবং কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ইউনিটকে।

সিআইডির দাবি, ১৩ মে কলকাতার অদূরে নিউটাউনের একটি আবাসনের তৎকালীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য খুন হন। এর এক সপ্তাহ পর আবাসনের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু মাংসপিণ্ড।

এছাড়া কলকাতার অদূরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাগজোলা খাল থেকেও মাংসপিণ্ডের অস্তিত্বের খোঁজ পান তদন্তকারী গোয়েন্দারা। উদ্ধার হওয়া মাংসপিণ্ডের ফরেনসিক রিপোর্টও এখনো প্রকাশ্যে আনেনি সিআইডি।

এর মধ্যেই নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনেকটা গোপনেই কলকাতা এসে ডিএনএ নমুনা দিয়ে যান এমপি কন্যা ডরিন। এর তিন সপ্তাহ পর ডরিনের দেয়া ডিএনএ স্যাম্পল তার বাবার দেহাংশের সঙ্গে মিলেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে।