ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বক্ষব্যাধি হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য: পদে পদে হয়রানির শিকার রোগীরা উৎপাদন সক্ষমতার  নামে বিপর্যয়:  ৭ বছর ভর্তুকি বেড়েছে প্রায় ৬৩৩ শতাংশ ২,২৭৬ নেতাকর্মীকে গুম ও হত্যার অভিযোগে আবারও ট্রাইব্যুনালে বিএনপি চীন সফরে ট্রাম্প: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, বাণিজ্য ও ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত বায়ুদূষণ : বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে ঢাকা শান্তি আলোচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা: বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ নির্দেশনা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে ‘টানাটানি’ ট্রাম্প-পুতিনের, কোন দিকে যাবে তেহরান? বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানিতে আগ্রহী ইতালি মার্কিন আদালতের রায়েও বহাল ১০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক, নতুন অনিশ্চয়তায় রফতানিকারকরা

সিডনিতে বাংলাদেশি তরুণী হত্যায় স্বামীর ২১ বছর দণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

আরনিমা হায়াতছবি: সংগৃহীত

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আরনিমা হায়াত নামের এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী হত্যার দায়ে তাঁর স্বামীকে সাড়ে ২১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দেশটির উচ্চ আদালত এ আদেশ দেন।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সিডনিতে আরনিমাকে (১৯) হত্যা করে তাঁর লাশ অ্যাসিডভর্তি বাথটাবে ফেলে রেখে চলে যান স্বামী মিরাজ জাফর (২৩)। ওই ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরনিমা হায়াতকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামী মিরাজ জাফরকে ২১ বছর ৬ মাস কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। সিডনিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডেবোরাহ সুইনি আজ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার আগে হত্যাকারী মিরাজ জাফরকে ভার্চ্যুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। শাস্তির রায় শুনে তিনি মাথায় হাত দিয়ে নিজের পায়ের দিতে তাকিয়ে থাকেন।

আরনিমার মা–বাবা এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। বাবা আবু হায়াত হত্যাকারীর উদ্দেশে বলেন, ‘তুমি আমার মেয়েকে হত্যা করেছ, আমরা ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিয়েছ, আমার পরিবারকে তছনছ করে দিয়েছ।’

পরিবারের অমতে মিরাজ জাফরকে বিয়ে করেন আরনিমা হায়াত। আরনিমা সন্তানসম্ভবা ছিলেন। আরনিমার বাবা আবু হায়াত ও মা মাহাফুজা হায়াত ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। তাঁদের মূল বাড়ি বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জে। আরনিমা ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিলেন। এর আগে সিডনির একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক শেষ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিডনিতে বাংলাদেশি তরুণী হত্যায় স্বামীর ২১ বছর দণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

 

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আরনিমা হায়াত নামের এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী হত্যার দায়ে তাঁর স্বামীকে সাড়ে ২১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দেশটির উচ্চ আদালত এ আদেশ দেন।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সিডনিতে আরনিমাকে (১৯) হত্যা করে তাঁর লাশ অ্যাসিডভর্তি বাথটাবে ফেলে রেখে চলে যান স্বামী মিরাজ জাফর (২৩)। ওই ঘটনার প্রায় ২০ ঘণ্টা পর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরনিমা হায়াতকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামী মিরাজ জাফরকে ২১ বছর ৬ মাস কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। সিডনিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডেবোরাহ সুইনি আজ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার আগে হত্যাকারী মিরাজ জাফরকে ভার্চ্যুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। শাস্তির রায় শুনে তিনি মাথায় হাত দিয়ে নিজের পায়ের দিতে তাকিয়ে থাকেন।

আরনিমার মা–বাবা এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। বাবা আবু হায়াত হত্যাকারীর উদ্দেশে বলেন, ‘তুমি আমার মেয়েকে হত্যা করেছ, আমরা ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিয়েছ, আমার পরিবারকে তছনছ করে দিয়েছ।’

পরিবারের অমতে মিরাজ জাফরকে বিয়ে করেন আরনিমা হায়াত। আরনিমা সন্তানসম্ভবা ছিলেন। আরনিমার বাবা আবু হায়াত ও মা মাহাফুজা হায়াত ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। তাঁদের মূল বাড়ি বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জে। আরনিমা ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিলেন। এর আগে সিডনির একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক শেষ করেন তিনি।