ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

গণহত্যা দিবস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১ ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক, ঢাকা 

গণহত্যা দিবস আজ। ১৯৭১ সালে মানবসভ্যতার ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরতম গণহত্যার সূচনা হয়েছিল ২৫ মার্চের কালরাতে। হালাকু, চেঙ্গিস ও হিটলারের বশংবদ পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ওই রাতে কাপুরুষোচিতভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঙালির ওপর। শুরু করে অপারেশন সার্চলাইট নামের পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ। ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

পাকিস্তানে প্রথমবারের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী বাঙালির ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। সে সম্ভাবনা নস্যাৎ করতে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে সামরিক জান্তা। একাত্তরের মার্চের শুরুতেই পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের আহূত অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলন শুরু করলে পাকিস্তানিরা বাঙালিদের দমনে কৌশলী ভূমিকা নেয়।

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার আড়ালে সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান বাংলাদেশে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠকে অপারেশন সার্চলাইট শুরুর নির্দেশ দিয়ে ঢাকা ত্যাগ করেন। সেদিন মধ্যরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাজধানী ঢাকায় মেশিনগান, কামান বিক্যুয়লস রাইফেল, মর্টার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ রাজধানীর প্রায় সর্বত্র তারা ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সারা দেশে যে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয় তা অব্যাহত থাকে ’৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্যন্ত। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা বাংলাদেশে গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ যেসব মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল তা সুস্পষ্টভাবে যুদ্ধাপরাধ। পাকিস্তান সরকার যুদ্ধাপরাধে জড়িত সেনাদের বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পালন করেনি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্বর জাতি হিসেবে পাকিস্তানিরা যে পরিচিতি গড়ে তুলেছিল তা এখনো ধারণ করে চলেছে। নিজেদের অপরাধের জন্য ক্ষমা চাওয়ার মানবিক আচরণও তারা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। পাকিস্তানের এ ব্যর্থতা তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক সম্পর্কে অন্তরায় সৃষ্টি করছে। নিজেদের সভ্য দেশ হিসেবে পরিচিত করতে চাইলে পাকিস্তান গণহত্যার জন্য বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইবে- এমনটিই প্রত্যাশিত।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :