ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

শীতে ত্বকের যত্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪ ২৭৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভয়েস হেলথ ডেস্ক

শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। ত্বকে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। বয়স্ক মানুষের শুষ্ক ত্বকের ঝুঁকি বেশি। বয়স্ক ব্যক্তির ত্বকে

প্রাকৃতিক ত্বকের তেল ও লুব্রিকেন্টের পরিমাণ কম থাকে। শুষ্ক ত্বকে চুলকানি হতে পারে। বারবার চুলকানির ফলে ত্বক মোটা ও খসখসে হয়ে

সংক্রমণও হতে পারে। আবহাওয়ার কারণে অনেকের ত্বকে ফোসকা, ফুসকুড়ি, লালচে ভাবও দেখা দেয়। অনেকের আবার একজিমাও হয়।

শীতকালে কম জল পান, মুখ পরিষ্কার রাখতে ঘন ঘন সাবান ব্যবহার ত্বক শুষ্ক করে। সাবানে ইমালসিফায়ার উপাদান থাকে, যা ত্বকের প্রাকৃতিক

তেল দূর করে। ত্বকে স্ক্রাব ব্যবহার করলে তেল আরও কমে যায়। ত্বকের উপযোগী নয়, এমন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। শীত

পোশাকে থাকা বিভিন্ন উপাদান ত্বক শুষ্ক করতে ভূমিকা রাখে।

রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, অ্যালার্জি এবং ব্রণের কিছু ওষুধ সেবনকারীদের ত্বকও শুষ্ক হতে পারে। একজিমা, সোরিয়াসিস, ডায়াবেটিস,

হাইপোথাইরয়েডিজম ও অপুষ্টি (ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘ডি’র অভাব) শুষ্ক ত্বকের সঙ্গে সম্পর্কিত। হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে, যেমন

মেনোপজ হলে ত্বক শীতের সময় আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়।

 

কী করবেন

ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি হলে খুব বেশি শীতে বা ঠান্ডা বাতাসে বাইরে না বেরুনো ভালো।

বের হলে সোয়েটার, চাদর, গ্লাভস, স্কার্ফ বা টুপি ও মোজা পরিধান করা।

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং দিনে কয়েকবার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

একজিমার জন্য ময়েশ্চারাইজিং স্কিনকেয়ার গুরুত্বপূর্ণ। শীতের সময় শিয়া বাটারের মতো ভারী ময়েশ্চারাইজার বা কোল্ড ক্রিম ব্যবহার

করা  যায়।

ত্বক পরিষ্কারে মাইল্ড ক্লিনজার বা ক্ষারবিহীন সাবান ভালো। কিছু সুগন্ধযুক্ত, ডিওডোরেন্ট, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল সাবান শীতের সময়

উপযোগী নয়।

শীতে হারবাল পণ্য নিতে পারেন। সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। গোসলের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ময়েশ্চারাইজার

দেওয়া উচিত।

সূর্যের আলোতে থাকলে ত্বক প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারে। শীতে সূর্যের আলো কম থাকে বলে ‘ডি’র অভাবে ত্বকের

সমস্যা বাড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শীতে ত্বকের যত্ন

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

 

ভয়েস হেলথ ডেস্ক

শীতে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। ত্বকে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। বয়স্ক মানুষের শুষ্ক ত্বকের ঝুঁকি বেশি। বয়স্ক ব্যক্তির ত্বকে

প্রাকৃতিক ত্বকের তেল ও লুব্রিকেন্টের পরিমাণ কম থাকে। শুষ্ক ত্বকে চুলকানি হতে পারে। বারবার চুলকানির ফলে ত্বক মোটা ও খসখসে হয়ে

সংক্রমণও হতে পারে। আবহাওয়ার কারণে অনেকের ত্বকে ফোসকা, ফুসকুড়ি, লালচে ভাবও দেখা দেয়। অনেকের আবার একজিমাও হয়।

শীতকালে কম জল পান, মুখ পরিষ্কার রাখতে ঘন ঘন সাবান ব্যবহার ত্বক শুষ্ক করে। সাবানে ইমালসিফায়ার উপাদান থাকে, যা ত্বকের প্রাকৃতিক

তেল দূর করে। ত্বকে স্ক্রাব ব্যবহার করলে তেল আরও কমে যায়। ত্বকের উপযোগী নয়, এমন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। শীত

পোশাকে থাকা বিভিন্ন উপাদান ত্বক শুষ্ক করতে ভূমিকা রাখে।

রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, অ্যালার্জি এবং ব্রণের কিছু ওষুধ সেবনকারীদের ত্বকও শুষ্ক হতে পারে। একজিমা, সোরিয়াসিস, ডায়াবেটিস,

হাইপোথাইরয়েডিজম ও অপুষ্টি (ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘ডি’র অভাব) শুষ্ক ত্বকের সঙ্গে সম্পর্কিত। হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে, যেমন

মেনোপজ হলে ত্বক শীতের সময় আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়।

 

কী করবেন

ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি হলে খুব বেশি শীতে বা ঠান্ডা বাতাসে বাইরে না বেরুনো ভালো।

বের হলে সোয়েটার, চাদর, গ্লাভস, স্কার্ফ বা টুপি ও মোজা পরিধান করা।

হাত ধোয়ার পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং দিনে কয়েকবার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

একজিমার জন্য ময়েশ্চারাইজিং স্কিনকেয়ার গুরুত্বপূর্ণ। শীতের সময় শিয়া বাটারের মতো ভারী ময়েশ্চারাইজার বা কোল্ড ক্রিম ব্যবহার

করা  যায়।

ত্বক পরিষ্কারে মাইল্ড ক্লিনজার বা ক্ষারবিহীন সাবান ভালো। কিছু সুগন্ধযুক্ত, ডিওডোরেন্ট, অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল সাবান শীতের সময়

উপযোগী নয়।

শীতে হারবাল পণ্য নিতে পারেন। সুগন্ধিবিহীন ময়েশ্চারাইজার শুষ্ক ত্বকের জন্য ভালো। গোসলের পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ময়েশ্চারাইজার

দেওয়া উচিত।

সূর্যের আলোতে থাকলে ত্বক প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারে। শীতে সূর্যের আলো কম থাকে বলে ‘ডি’র অভাবে ত্বকের

সমস্যা বাড়ে।