ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাত শার্শায় র‌্যাবের অভিযানে ২৯৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে-চীনা রাষ্ট্রদূত তৈরি পোশাকখাত এখন পোশাক খাত এখন আইসিইউতে: মোহাম্মদ হাতেম তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ব্যবসা মন্দা, আয় সংকোচন ও রাজস্ব ঘাটতি ৪৬ হাজার কোটি  নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজিবি মোতায়েন, ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত মাদারীপুরে বাস অটোরিকশা সংঘর্ষ প্রাণ গেল ৬জনের বাংলাদেশে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ব্যাখ্যা দিল অন্তর্বর্তী সরকার রমজান সামনে আগেই চড়া বাজার: দামে লাগাম টানতে কড়া নজরদাবি জরুরি

বাংলাদেশকে ১৫০০ মিলিয়ান ডলার ঋণ দেবে জাপান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল মাতারবাড়ীতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে জাপান সরকার বাংলাদেশকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা দেবে। এ ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণ কাজের জন্য ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ, ফ্রন্ট ইন্ড ফি (এককালীন) শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে ঋণ পরিশোধযোগ্য।

শনিবার বাংলাদেশ এবং জাপান সরকারের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তিতে সই করেন।

জাপান সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বিনিময় নোট এবং বাংলাদেশে অবস্থিত জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তমোহিদ ঋণচুক্তি সই করেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এনইসি-২ সভাকক্ষে এ ঋণচুক্তি সই হয়।

অব্যাহত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি (সরকারি তহবিল) ৬ হাজার ৪০৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর জাইকা ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি ৩ লাখ টাকা, সিপিজিসিবিএল সংস্থা নিজস্ব ১ হাজার ৫২৭ কোটি ৬৯ লাখ কোটি।

প্রকল্পের মেয়াদকাল জুলাই ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৭৮ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাইকা কর্তৃক পর্যায়ক্রমে ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ৬টি পর্যায়ে মোট ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫৪ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েনের ঋণচুক্তি সই হয়েছে। জাপান সরকারের ৪৪তম উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) লোন প্যাকেজের (দ্বিতীয় ব্যাচ) আওতায় সপ্তম পর্যায়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন দেওয়া হবে।

দ্বি-পাক্ষিক পর্যায়ে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত জাপান সরকার বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন সেক্টরে উল্লেখযোগ্য সহায়তা দিয়েছে।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে জাপান সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, পল্লী উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ অন্যান্য খাতের প্রকল্পে ঋণ ও বিভিন্ন ধরনের অনুদান সহায়তা হিসেবে আজ পর্যন্ত ৩০ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশকে ১৫০০ মিলিয়ান ডলার ঋণ দেবে জাপান

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক

বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল মাতারবাড়ীতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে জাপান সরকার বাংলাদেশকে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা দেবে। এ ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণ কাজের জন্য ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ, ফ্রন্ট ইন্ড ফি (এককালীন) শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে ঋণ পরিশোধযোগ্য।

শনিবার বাংলাদেশ এবং জাপান সরকারের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তিতে সই করেন।

জাপান সরকারের পক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বিনিময় নোট এবং বাংলাদেশে অবস্থিত জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তমোহিদ ঋণচুক্তি সই করেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এনইসি-২ সভাকক্ষে এ ঋণচুক্তি সই হয়।

অব্যাহত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী এলাকায় ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ চলছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে জিওবি (সরকারি তহবিল) ৬ হাজার ৪০৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর জাইকা ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি ৩ লাখ টাকা, সিপিজিসিবিএল সংস্থা নিজস্ব ১ হাজার ৫২৭ কোটি ৬৯ লাখ কোটি।

প্রকল্পের মেয়াদকাল জুলাই ২০১৪ থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি ৭৮ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। জাইকা কর্তৃক পর্যায়ক্রমে ঋণ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ৬টি পর্যায়ে মোট ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫৪ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েনের ঋণচুক্তি সই হয়েছে। জাপান সরকারের ৪৪তম উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) লোন প্যাকেজের (দ্বিতীয় ব্যাচ) আওতায় সপ্তম পর্যায়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন দেওয়া হবে।

দ্বি-পাক্ষিক পর্যায়ে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী দেশ। স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত জাপান সরকার বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন সেক্টরে উল্লেখযোগ্য সহায়তা দিয়েছে।

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে জাপান সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, পল্লী উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ অন্যান্য খাতের প্রকল্পে ঋণ ও বিভিন্ন ধরনের অনুদান সহায়তা হিসেবে আজ পর্যন্ত ৩০ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।