ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

মোখা : ৭ উপকূলীয় জেলায় মহাবিপৎসংকেত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩ ৩২২ বার পড়া হয়েছে

মোখার গতিবেগ বাড়ছে ছবি: আবহা্ওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবহাওয়ার ১৩ নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর  বিক্ষুব্ধ রয়েছে

উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। উপকূল থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সাগর উত্তাল রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোয় সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১২ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর

 

অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় মোখা উপকূল থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোয় সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১২ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়ার ১৩ নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর  বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

সেন্ট মার্টিন জেটিঘাট থেকে   নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাঠের ট্রলারে যাত্রা  : ছবি সংগ্রহ

উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম এবং এ দুই জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার ও কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায় এই ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাব শুরু হতে পারে। রবিবার সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসায় আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।

উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ভোলা জেলা ৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার অংশ হিসেবে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় ১০ লাখের বেশি মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার সকাল থেকে কয়েক শ’ মানুষ কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ছেড়েছেন।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শুক্রবার রাত ১১টা থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এতে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে শনিবার গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হবে।

সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ ও কক্সবাজারের বিভিন্ন উপকূলে আঘাত হানতে পারে মোখা। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে টেকনাফ সমুদ্রসৈকতে নৌকাগুলো টেনে তোলা হচ্ছে : ছবি সংগ্রহ

রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (১২ নম্বর) বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় থাকা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি গতকাল সন্ধ্যা ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এটি আরও উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে রোববার সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর আগে আজ সন্ধ্যা থেকে কক্সবাজার ও এর কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায় মোখার অগ্রভাগের প্রভাব দেখা যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের টানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরে থাকা সাড়ে আট লাখ রোহিঙ্গা ঘূর্ণিঝড় মোখার ঝুঁকিতে থাকার কথা জানিয়েছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)। বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার সময় ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তীব্র বাতাস, অতিবৃষ্টি ও হঠাৎ বন্যায় সেখানে অনেক ক্ষয়ক্ষতি এবং আশ্রয়কেন্দ্র এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কাও করছে সংস্থাটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোখা : ৭ উপকূলীয় জেলায় মহাবিপৎসংকেত

আপডেট সময় : ০৯:১৩:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

আবহাওয়ার ১৩ নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর  বিক্ষুব্ধ রয়েছে

উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। উপকূল থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সাগর উত্তাল রয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোয় সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১২ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর

 

অনলাইন ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় মোখা উপকূল থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সাগর উত্তাল। ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোয় সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১২ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়ার ১৩ নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর  বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

সেন্ট মার্টিন জেটিঘাট থেকে   নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাঠের ট্রলারে যাত্রা  : ছবি সংগ্রহ

উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম এবং এ দুই জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার ও কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায় এই ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাব শুরু হতে পারে। রবিবার সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসায় আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে।

উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ভোলা জেলা ৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার অংশ হিসেবে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় ১০ লাখের বেশি মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার সকাল থেকে কয়েক শ’ মানুষ কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ছেড়েছেন।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শুক্রবার রাত ১১টা থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এতে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা অঞ্চলে শনিবার গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হবে।

সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ ও কক্সবাজারের বিভিন্ন উপকূলে আঘাত হানতে পারে মোখা। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে টেকনাফ সমুদ্রসৈকতে নৌকাগুলো টেনে তোলা হচ্ছে : ছবি সংগ্রহ

রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (১২ নম্বর) বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় থাকা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি গতকাল সন্ধ্যা ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এটি আরও উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে রোববার সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর আগে আজ সন্ধ্যা থেকে কক্সবাজার ও এর কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায় মোখার অগ্রভাগের প্রভাব দেখা যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের টানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কক্সবাজারের আশ্রয়শিবিরে থাকা সাড়ে আট লাখ রোহিঙ্গা ঘূর্ণিঝড় মোখার ঝুঁকিতে থাকার কথা জানিয়েছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)। বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার সময় ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তীব্র বাতাস, অতিবৃষ্টি ও হঠাৎ বন্যায় সেখানে অনেক ক্ষয়ক্ষতি এবং আশ্রয়কেন্দ্র এলাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কাও করছে সংস্থাটি।