ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত সরকার: তারেক রহমান সোনার ভরিতে ৩২৬৫ ও রুপার ভরিতে ৩৫০ টাকা কমলো জাতীয় মহিলা পার্টির আহ্বায়ক নুরুন নাহার বেগম সদস্য সচিব জেসমীন নূর প্রিয়াংকা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অবরোধে অচলাবস্থা, আলোচনায় চাপ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান হরমুজে নৌ-সংঘাত: ইরানের হামলায় তিন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত, আটক দুটি ১০ বছর পর তনু হত্যা রহস্যে অগ্রগতি, সাবেক সেনা সদস্য রিমান্ডে পাচারের অর্থ উদ্ধারে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে টান: প্যাট্রিয়ট ও থাডের অর্ধেক প্রায় শেষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি

মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আম চাষীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আমচাষীরা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি

পীলে চমকানো আতঙ্ক গ্রাস করেছে সাতক্ষীরার আমচাষীদের। ঘূর্ণিঝড় মোকা প্রভাবে গাছের আম পড়ে গিয়ে নষ্ট হতে পারে, এমন আতঙ্ক থেকে গাছের আম পেড়ে কম দামে বিক্রি করছেন চাষীরা।

আমচাষিদের বক্তব্য মোখা আঘাত হানলে আম পড়ে যাবে এবং তা বিক্রি করা যাবে না। মোকার কবল থেকে আম রক্ষায় আগাম পেড়ে বিক্রি করছেন। তাতে দাম অনেক কমে গিয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, যদিও শুক্রবার পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় মোকার আঘাত হানতে এমন কোন শঙ্কা নেই বলে তারা প্রচার চালিয়েছেন। কিন্তু তাতে চাষীদের আম পাড়া বন্ধ করতে পারেননি।

গত মৌসুমে আম চাষে লাভের মুখ দেখতে পারেননি। চলতি মৌসুমে আমের ফলন ভাল হওয়ায় গত মৌসুমের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা দেখেন চাষীরা। কিন্তু গেল এপ্রিলের শেষের দিকে ঝড়ে অনেক আম পড়ে যায়। এখন ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্ক। এ কারণে চাষিরা আম পেড়ে বাজারে তুলে অর্ধেক দাম পাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের খবর, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলায় ৪ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগানের সংখ্যা ৫ হাজার ২৯৯টি। জেলায় আমচাষির সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০। এবারে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

প্রথম ধাপে ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ পাড়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে ল্যাংড়া ও চতুর্থ ধাপে ২৮ মে আম্রপালি আম সংগ্রহ শুরু করার কথা।

ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্কে দুই দিন ধরে আম পেড়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করছেন চাষীরা। কিন্তু বাজারে বিপুল পরিমাণ আম ওঠায় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দুই দিন আগে যে আম দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে শুক্রবার তা নেমে আসে এক হাজার টাকায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আম চাষীরা

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি

পীলে চমকানো আতঙ্ক গ্রাস করেছে সাতক্ষীরার আমচাষীদের। ঘূর্ণিঝড় মোকা প্রভাবে গাছের আম পড়ে গিয়ে নষ্ট হতে পারে, এমন আতঙ্ক থেকে গাছের আম পেড়ে কম দামে বিক্রি করছেন চাষীরা।

আমচাষিদের বক্তব্য মোখা আঘাত হানলে আম পড়ে যাবে এবং তা বিক্রি করা যাবে না। মোকার কবল থেকে আম রক্ষায় আগাম পেড়ে বিক্রি করছেন। তাতে দাম অনেক কমে গিয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, যদিও শুক্রবার পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় মোকার আঘাত হানতে এমন কোন শঙ্কা নেই বলে তারা প্রচার চালিয়েছেন। কিন্তু তাতে চাষীদের আম পাড়া বন্ধ করতে পারেননি।

গত মৌসুমে আম চাষে লাভের মুখ দেখতে পারেননি। চলতি মৌসুমে আমের ফলন ভাল হওয়ায় গত মৌসুমের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা দেখেন চাষীরা। কিন্তু গেল এপ্রিলের শেষের দিকে ঝড়ে অনেক আম পড়ে যায়। এখন ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্ক। এ কারণে চাষিরা আম পেড়ে বাজারে তুলে অর্ধেক দাম পাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের খবর, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলায় ৪ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগানের সংখ্যা ৫ হাজার ২৯৯টি। জেলায় আমচাষির সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০। এবারে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

প্রথম ধাপে ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ পাড়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে ল্যাংড়া ও চতুর্থ ধাপে ২৮ মে আম্রপালি আম সংগ্রহ শুরু করার কথা।

ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্কে দুই দিন ধরে আম পেড়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করছেন চাষীরা। কিন্তু বাজারে বিপুল পরিমাণ আম ওঠায় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দুই দিন আগে যে আম দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে শুক্রবার তা নেমে আসে এক হাজার টাকায়।