ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিলাবৃষ্টির আতঙ্কে ধর্মপাশা-মধ্যনগরের কৃষক, ফসল রক্ষায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকের কল্যাণে দোয়া ও ইফতার, ভোলায় মানবিকতা ও সংহতির অনন্য আয়োজন কোদাল হাতে খাল খননে প্রধানমন্ত্রী, কৃষিতে স্বনির্ভরতার ডাক ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার জাহাজ ফেরত চাইল ইরান ভারতের ‘বৃক্ষমাতা’ তুলসী গৌড়া, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহাবস্থানের অনন্য নজির ঈদে মহাসড়কে কড়াকড়ি, ৭ দিন বন্ধ থাকবে ট্রাক-লরি চলাচল নেতানিয়াহুর বেঁচে থাকার প্রমাণ ভুয়া নাকি আসল? ৫ আঙুল দেখানো ভিডিওই ডিপফেক? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধমঞ্চে ইরানের দাপট, পাল্টে গেল হিসাব! জিয়ার ঐতিহাসিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আবারও খাল খনন শুরু করলেন তারেক রহমান ক্যামেলী পালের কবিতা ‘চাইলেই কি যাওয়া যায়’

শান্তির সংস্কৃতি মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ : ড. মোমেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

শান্তির সংস্কৃতি মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ : ড. মোমেন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, শান্তির সংস্কৃতি প্রচারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ। বুধবার নয়াদিল্লিতে বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। বিদেশমন্ত্রকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

প্রোমোটিং কালচার অব পিস ফর শেয়ার্ড প্রোসপারিটি: এ ভিশন ফর সাউথ এশিয়া শীর্ষক এই গণ বক্তৃতায় ড. মোমেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তিকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির বিস্তারিত তুলে ধরেন। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি ১৯৯৭ সালে আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।

ড. মোমেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমর্থন কামনা করেন।

কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, মিডিয়া কর্মী এবং থিঙ্ক-ট্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা আলোচনায় যোগ দেন। ড. মোমেন বর্তমানে ভারত সরকারের আমন্ত্রণে জি-২০ বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করছেন। বৃহস্পতিবার জি-২০ বৈঠকে বক্তৃতা করার কথা রয়েছে। অন্যান্য বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যে তিনি ভারতের প্রেসিডেন্সির অধীনে জি-২০ প্ল্যাটফর্ম থেকে বাংলাদেশের প্রত্যাশা তুলে ধরবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শান্তির সংস্কৃতি মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ : ড. মোমেন

আপডেট সময় : ০৮:২৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, শান্তির সংস্কৃতি প্রচারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ। বুধবার নয়াদিল্লিতে বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। বিদেশমন্ত্রকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

প্রোমোটিং কালচার অব পিস ফর শেয়ার্ড প্রোসপারিটি: এ ভিশন ফর সাউথ এশিয়া শীর্ষক এই গণ বক্তৃতায় ড. মোমেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তিকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির বিস্তারিত তুলে ধরেন। বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি ১৯৯৭ সালে আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।

ড. মোমেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমর্থন কামনা করেন।

কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, মিডিয়া কর্মী এবং থিঙ্ক-ট্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা আলোচনায় যোগ দেন। ড. মোমেন বর্তমানে ভারত সরকারের আমন্ত্রণে জি-২০ বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করছেন। বৃহস্পতিবার জি-২০ বৈঠকে বক্তৃতা করার কথা রয়েছে। অন্যান্য বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যে তিনি ভারতের প্রেসিডেন্সির অধীনে জি-২০ প্ল্যাটফর্ম থেকে বাংলাদেশের প্রত্যাশা তুলে ধরবেন।