ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে বিধ্বংসী আগুন: মালিক চালকরা দায়ী, তদন্ত প্রতিবেদন

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২ ৩৭১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাঝ নদীতে যাত্রী লঞ্চে বিধ্বংসী আগুন  ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চে বিধ্বংসী আগুনের ঘটনায় লঞ্চটির চার মালিক, মাস্টার ও ড্রাইভারদের দায়ী করে নৌপরিবহণ মন্ত্রকে প্রতিবেদন দিয়েছে এসংক্রান্ত গঠিত কমিটি।

গত ২৪ ডিসেম্বর লঞ্চটিতে বিধ্বংসী আগুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪০জনের অধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর নৌ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ তোফায়েল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত ঢাকার সদরঘাটে কর্মরত নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও  অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। সোমবার মন্ত্রকের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরীর কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয়। দুর্ঘটনা রোধে ২৫ দফা সুপারিশও তুলে ধরা হয়েছে।

আগুনে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ ছবি সংগ্রহ

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, লঞ্চটি চাঁদপুর ঘাট অতিক্রমের পরই ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দিয়েছিলো। অনেক চেষ্টা করেও ইঞ্জিনের ত্রুটি সারতে ব্যর্থ হয় সংশ্লিষ্টরা। এসময় অনেক যাত্রী লঞ্চটি ভেড়ানোর অনুরোধও করেছিলেন। কিন্তু মাস্টার ও ইঞ্জিন ড্রাইভার যাত্রীদের অনুরোধের গুরুত্ব না দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ লঞ্চটি চালিয়ে যান।

সবচেয়ে বড় অভিযোগ হচ্ছে, বিধ্বংসী আগুন নেভানোর কোনো চেষ্টা করা হয়নি যা প্রতিবেদনে গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আগুন লাগার পর লঞ্চটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় আনুমানিক ১৫ মিনিট চলার পর ঝালকাঠির ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের চর বাটারাকান্দা গ্রামে নদীর পাড়ে লঞ্চটি ভেড়ানো হয়।

সেখানে লঞ্চের প্রথম শ্রেণির ইঞ্জিন ড্রাইভার মাসুম বিল্লাহ, দ্বিতীয় শ্রেণির ইঞ্জিন ড্রাইভার আবুল কালাম ও কর্মরত গ্রিজাররা (ইঞ্জিনকক্ষের সহকারী) পালিয়ে যান। নোঙর করা বা লঞ্চটি বাঁধার জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া সত্ত্বেও তা করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য