ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

মহানবমী: অষ্টমীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহাষ্টমীতে ঠাকুর দর্শন: ছবি সংগৃহিত

উপচেপড়া ভিড়ে উদাও স্বাস্থ্যবিধি

কলকাতা: ঘরের মেয়ের স্বামীর ঠিকানায় ফিরে যাওয়ার সময় যে ঘনিয়ে এল। গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে বুধবার রাত ১১টা ৪৯ মিনিটের পরে আর বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে রাত ৮টা ৮ মিনিটের পরেই পড়ে গেল নবমী। আর নবমী পড়া মানেই তো মনটা কেমন করা।

তিথি-নক্ষত্র যা-ই বলুক, বুধবার রাত শেষে সূর্যোদয়ের পরে মহানবমীর দিনক্ষণ গোনা শুরু হবে। আর মহানবমীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে শোনা যাবে সেই বিখ্যাত গান ‘নবমী নিশি রে তোর দয়া নাই রে, এত করে সাধিলাম, তবু হইলি ভোর’। আমরা অষ্টমীতেই থাকি। অষ্টমীর সকালে বাঙালি ব্যস্ত

ছিল পুজো ও অঞ্জলি নিয়ে। তাই শহরের রাস্তাঘাট ছিল প্রায় শুনশান। সর্বজনীন পূজামণ্ডপে যাঁদের অঞ্জলি দেওয়ার অধিকার ছিল হাইকোর্টের নির্দেশমতো, তাঁরা অঞ্জলি দিয়েছেন। বেলুড় মঠসহ যেখানে যেখানে কুমারীপুজো হয়, সে সব জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুমারীপুজো হয়েছে।

হাজরা পার্কের পুজোয় আরতি করছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

শহরের সকালের চেহারাটা আমূল বদলে গিয়েছে বিকেল থেকে। মানুষ বেরিয়ে পড়েছেন ঠাকুর দেখতে। করোনার ভয়ে মানুষ আর ঘরবন্দি থাকতে চাইছে না। তার দু’টো কারণ প্রথমত, ভয়

কাটানোর সাহস অর্জন করেছেন অনেকেই, আর দ্বিতীয়ত অনেকেরই একটি বা দুটি টিকা নেওয়া সম্পন্ন। উত্তর থেকে দক্ষিণ শহরের সব পূজামণ্ডপেই ভিড়। তবে সচেতন সবাই।

তারপরও অনেকেই মাস্কবিহীন অবস্থায়। কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনেই উৎসবের আনন্দ উপভোগ করছে বাঙালি। মণ্ডপ  থেকে মণ্ডপে দল বেঁধে ঘোরাঘুরি হয়েছে, যাকে বলে প্যান্ডেল হপিং। তার সঙ্গে চলেছে দেদার আড্ডা আর খাওয়াদাওয়া।

ঠাকুর দেখতে জনতার ভিড়। বুধবার সিঙ্গি পার্কে।

তবে শহরবাসীর এই আনন্দে কোনো কোনো জায়গায় একটু সেধেছে আবহাওয়া। বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। পুজোর গত কয়েক দিন শহরের যে চেহারা ছিল, বুধবার তার সঙ্গে খুব একটা

মিল ছিল না। মণ্ডপে রোজই একটু একটু করে ভিড় বেড়েছে। এ দিন বহু জায়গায় পুলিশকে ময়দানে নামতে হয়েছে ভিড় নিয়ন্ত্রণে।

সচেতনতা প্রচারে পুলিশ। বুধবার গড়িয়াহাট অঞ্চলে।

আর কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সারা শহর জুড়ে পুলিশ সর্বক্ষণ প্রচার চালিয়ে এসেছে। এ ব্যাপারে সর্বজনীন পূজাকমিটিগুলিও এ বার বেশ সতর্ক। মাস্ক ছাড়া কাউকেই মণ্ডপের কাছে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। আর মাস্ক পরে থাকলেও প্রতিমা দর্শন করতে হচ্ছে বেশ দূর থেকে। এ

কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শারদোৎসব চুটিয়ে উপভোগ করছে আমজনতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মহানবমী: অষ্টমীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন

আপডেট সময় : ১১:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২১

মহাষ্টমীতে ঠাকুর দর্শন: ছবি সংগৃহিত

উপচেপড়া ভিড়ে উদাও স্বাস্থ্যবিধি

কলকাতা: ঘরের মেয়ের স্বামীর ঠিকানায় ফিরে যাওয়ার সময় যে ঘনিয়ে এল। গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে বুধবার রাত ১১টা ৪৯ মিনিটের পরে আর বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে রাত ৮টা ৮ মিনিটের পরেই পড়ে গেল নবমী। আর নবমী পড়া মানেই তো মনটা কেমন করা।

তিথি-নক্ষত্র যা-ই বলুক, বুধবার রাত শেষে সূর্যোদয়ের পরে মহানবমীর দিনক্ষণ গোনা শুরু হবে। আর মহানবমীর রাতে মণ্ডপে মণ্ডপে শোনা যাবে সেই বিখ্যাত গান ‘নবমী নিশি রে তোর দয়া নাই রে, এত করে সাধিলাম, তবু হইলি ভোর’। আমরা অষ্টমীতেই থাকি। অষ্টমীর সকালে বাঙালি ব্যস্ত

ছিল পুজো ও অঞ্জলি নিয়ে। তাই শহরের রাস্তাঘাট ছিল প্রায় শুনশান। সর্বজনীন পূজামণ্ডপে যাঁদের অঞ্জলি দেওয়ার অধিকার ছিল হাইকোর্টের নির্দেশমতো, তাঁরা অঞ্জলি দিয়েছেন। বেলুড় মঠসহ যেখানে যেখানে কুমারীপুজো হয়, সে সব জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুমারীপুজো হয়েছে।

হাজরা পার্কের পুজোয় আরতি করছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

শহরের সকালের চেহারাটা আমূল বদলে গিয়েছে বিকেল থেকে। মানুষ বেরিয়ে পড়েছেন ঠাকুর দেখতে। করোনার ভয়ে মানুষ আর ঘরবন্দি থাকতে চাইছে না। তার দু’টো কারণ প্রথমত, ভয়

কাটানোর সাহস অর্জন করেছেন অনেকেই, আর দ্বিতীয়ত অনেকেরই একটি বা দুটি টিকা নেওয়া সম্পন্ন। উত্তর থেকে দক্ষিণ শহরের সব পূজামণ্ডপেই ভিড়। তবে সচেতন সবাই।

তারপরও অনেকেই মাস্কবিহীন অবস্থায়। কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনেই উৎসবের আনন্দ উপভোগ করছে বাঙালি। মণ্ডপ  থেকে মণ্ডপে দল বেঁধে ঘোরাঘুরি হয়েছে, যাকে বলে প্যান্ডেল হপিং। তার সঙ্গে চলেছে দেদার আড্ডা আর খাওয়াদাওয়া।

ঠাকুর দেখতে জনতার ভিড়। বুধবার সিঙ্গি পার্কে।

তবে শহরবাসীর এই আনন্দে কোনো কোনো জায়গায় একটু সেধেছে আবহাওয়া। বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। পুজোর গত কয়েক দিন শহরের যে চেহারা ছিল, বুধবার তার সঙ্গে খুব একটা

মিল ছিল না। মণ্ডপে রোজই একটু একটু করে ভিড় বেড়েছে। এ দিন বহু জায়গায় পুলিশকে ময়দানে নামতে হয়েছে ভিড় নিয়ন্ত্রণে।

সচেতনতা প্রচারে পুলিশ। বুধবার গড়িয়াহাট অঞ্চলে।

আর কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সারা শহর জুড়ে পুলিশ সর্বক্ষণ প্রচার চালিয়ে এসেছে। এ ব্যাপারে সর্বজনীন পূজাকমিটিগুলিও এ বার বেশ সতর্ক। মাস্ক ছাড়া কাউকেই মণ্ডপের কাছে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। আর মাস্ক পরে থাকলেও প্রতিমা দর্শন করতে হচ্ছে বেশ দূর থেকে। এ

কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শারদোৎসব চুটিয়ে উপভোগ করছে আমজনতা।