ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাইডের নির্দেশনা অমান্য বান্দরবানে মোটরসাইকেল খাদে পড়ে প্রাণ হারালেন দুই পর্যটক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন স্বস্তির আভাস তবুও কাটেনি শঙ্কা সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের পর যুক্তরাষ্ট্রের নিহত ২০০ ছাড়িয়েছে: আইআরজিসি প্রকৃতি ও পরিবেশ চাঁইয়ের ফাঁদে পাঙাশ নিধন উপকূলের নদ-নদীতে মাছশূন্য ভবিষ্যতের অশনিসংকেত এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা

২০টি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

২০টি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বৃহৎ অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চীন ২০টি মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট ১০ জন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। শুক্রবার বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

চীনা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বোয়িংয়ের সেন্ট লুইস শাখা, নর্থরোপ গ্রুম্যান সিস্টেমস কর্পোরেশন এবং এল-থ্রি হ্যারিস মেরিটাইম সার্ভিসেস উল্লেখযোগ্য। নিষেধাজ্ঞার ফলে এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির চীনে থাকা সব ধরনের সম্পদ জব্দ করা হবে এবং চীনের কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি তাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না। একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের চীনে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তাইওয়ান ইস্যু চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট এবং এটি চীন–মার্কিন সম্পর্কের একটি মৌলিক ‘রেড লাইন’। এ বিষয়ে যেকোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বেইজিং প্রয়োজনীয় ও দৃঢ় প্রতিক্রিয়া জানাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ানকে সশস্ত্র করার উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ওয়াশিংটন তাইওয়ানের জন্য প্রায় ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের একটি বৃহৎ অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করে, যা দ্বীপটির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় সামরিক চুক্তি হিসেবে বিবেচিত। চীন গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করলেও তাইপেই সে দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০টি মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৯:১৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বৃহৎ অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চীন ২০টি মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট ১০ জন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। শুক্রবার বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

চীনা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বোয়িংয়ের সেন্ট লুইস শাখা, নর্থরোপ গ্রুম্যান সিস্টেমস কর্পোরেশন এবং এল-থ্রি হ্যারিস মেরিটাইম সার্ভিসেস উল্লেখযোগ্য। নিষেধাজ্ঞার ফলে এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির চীনে থাকা সব ধরনের সম্পদ জব্দ করা হবে এবং চীনের কোনো সংস্থা বা ব্যক্তি তাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না। একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের চীনে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তাইওয়ান ইস্যু চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট এবং এটি চীন–মার্কিন সম্পর্কের একটি মৌলিক ‘রেড লাইন’। এ বিষয়ে যেকোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বেইজিং প্রয়োজনীয় ও দৃঢ় প্রতিক্রিয়া জানাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ানকে সশস্ত্র করার উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ওয়াশিংটন তাইওয়ানের জন্য প্রায় ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের একটি বৃহৎ অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করে, যা দ্বীপটির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় সামরিক চুক্তি হিসেবে বিবেচিত। চীন গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করলেও তাইপেই সে দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে।