রড-সিমেন্ট নয়, শিক্ষাই গড়বে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন ভিত্তি
- আপডেট সময় : ০২:০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের নতুন ভিত্তি হিসেবে শিক্ষাখাতকে উল্লেখ করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, দুই দেশের সম্পর্ক এখন আর কেবল রড-সিমেন্টের অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করবে না, বরং শিক্ষা ও কারিগরি সহায়তাই হবে এই সম্পর্কের মূল সেতুবন্ধন।
শনিবার (৯ মে) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-চীন শিক্ষা সহযোগিতা ফোরামে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চীন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক রড কিংবা সিমেন্ট নয়, শিক্ষা খাতই ভবিষ্যতে প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠবে।
চীন যেভাবে তাদের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করেছে, তা বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয়। ভবিষ্যতে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হবে শিক্ষা, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন।
তিনি জানান, সরকার এখন আর শুধু পরীক্ষা ও জিপিএ-৫ নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থায় সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে এগোতে চীনের সহযোগিতায় কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষায় নতুন নতুন কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষাও বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কারিগরি শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজাতে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এহছানুল হক মিলন বলেন, এখনও দেশে পর্যাপ্ত স্কুল-কলেজের ঘাটতি রয়েছে।
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পুরোদমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।”
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি সংযুক্ত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, তরুণ প্রজন্মকে সৃজনশীল ও নৈতিক শিক্ষায় উৎসাহিত করতে শিগগিরই জনপ্রিয় শিশু-কিশোর আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি’র আদলে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও মেধাকে কেন্দ্র করেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, একটি জ্ঞানভিত্তিক, আধুনিক ও গৌরবময় বাংলাদেশ।



















