ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়নে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪ ২২৮ বার পড়া হয়েছে

যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়নে দু'দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান এমপির সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের সাথে যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়নে ভারত সরকারের আগ্রহের কথা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য বাণিজ্য কৃষি শিল্প ও অবকাঠামোসহ অন্যান্য সকল সেক্টরের ন্যায় ভারত সরকার দুই দেশের যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়নে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। উভয় দেশেরই একটি বড় অংশ তরুণ জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০০ জনের যুব প্রতিনিধি দল ভারত সরকারের আমন্ত্রণে ভারত সফর করে থাকে। তারা ভারতের গৌরবময় ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে। ভারত যুব প্রতিনিধি দলের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে।

তিনি আরো যোগ করেন, বাংলাদেশের তরুণ সরকারি কর্মকর্তারা ভারতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। এছাড়া ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা ভারতে অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে। আমরা দুই দেশের মধ্যে বৃহৎ পরিসরে যুব বিনিময় কর্মসূচি গ্রহণ করতে চাই। এছাড়াও খেলাধুলায়ও প্রতিবেশী রাষ্ট্র দুটি আরো নিবিড়ভাবে কাজ করতে পারে। স্পোর্টস মেডিসিন ও স্পোর্টস গুডস ম্যানুফ্যাকচারিং এ উভয় দেশ একসাথে কাজ করতে পারে।

এ সময়ে হাইকমিশনার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর ভারত সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের যুব ও ক্রীড়া উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী হাইকমিশনারের ভারত সফরের আমন্ত্রণকে সাদরে গ্রহণ করে বলেন, নিঃসন্দেহ, ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। ভারতের জনগণ বাঙালিদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে। দুই দেশের সম্পর্ক রক্তের আখরে লেখা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আজ শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সম্পর্ক সমঅংশীদারিত্বের ও নায্যতার। দুই দেশের যুব সমাজের উন্নয়ন পাশাপাশি ক্রীড়ার উন্নয়নে উভয় দেশ তাদের অভিজ্ঞতা ও অর্জন ভাগাভাগি করতে পারে।

বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ভারত হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়নে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের আশাবাদ

আপডেট সময় : ১১:১২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান এমপির সাথে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বাংলাদেশের সাথে যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়নে ভারত সরকারের আগ্রহের কথা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। শিক্ষা, স্বাস্থ্য বাণিজ্য কৃষি শিল্প ও অবকাঠামোসহ অন্যান্য সকল সেক্টরের ন্যায় ভারত সরকার দুই দেশের যুব ও ক্রীড়ার উন্নয়নে একযোগে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশ আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। উভয় দেশেরই একটি বড় অংশ তরুণ জনগোষ্ঠী। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০০ জনের যুব প্রতিনিধি দল ভারত সরকারের আমন্ত্রণে ভারত সফর করে থাকে। তারা ভারতের গৌরবময় ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে। ভারত যুব প্রতিনিধি দলের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে।

তিনি আরো যোগ করেন, বাংলাদেশের তরুণ সরকারি কর্মকর্তারা ভারতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। এছাড়া ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা ভারতে অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে। আমরা দুই দেশের মধ্যে বৃহৎ পরিসরে যুব বিনিময় কর্মসূচি গ্রহণ করতে চাই। এছাড়াও খেলাধুলায়ও প্রতিবেশী রাষ্ট্র দুটি আরো নিবিড়ভাবে কাজ করতে পারে। স্পোর্টস মেডিসিন ও স্পোর্টস গুডস ম্যানুফ্যাকচারিং এ উভয় দেশ একসাথে কাজ করতে পারে।

এ সময়ে হাইকমিশনার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর ভারত সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের যুব ও ক্রীড়া উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী হাইকমিশনারের ভারত সফরের আমন্ত্রণকে সাদরে গ্রহণ করে বলেন, নিঃসন্দেহ, ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। ভারতের জনগণ বাঙালিদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে। দুই দেশের সম্পর্ক রক্তের আখরে লেখা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আজ শক্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সম্পর্ক সমঅংশীদারিত্বের ও নায্যতার। দুই দেশের যুব সমাজের উন্নয়ন পাশাপাশি ক্রীড়ার উন্নয়নে উভয় দেশ তাদের অভিজ্ঞতা ও অর্জন ভাগাভাগি করতে পারে।

বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ভারত হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।