ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন প্রত্যাশা খুব দ্রুত বিশ্ববাজারে কমবে জ্বালানি তেলের দাম: ট্রাম্প ইসরায়েলে বহুমুখী হামলার প্রস্তুতি, মিত্রদের একজোট করছে ইরান এলএনজি সংরক্ষণ ও গ্যাসে রূপান্তরে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র নিউ মেক্সিকো’র নাম পরিবর্তন করে নিউ আমেরিকা রাখার প্রস্তাব ট্রাম্পের রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটো নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ডেঙ্গুর ভয়াবহ ছোবল একদিনে রেকর্ড ১,৫৫৮ ভর্তি, মৃত্যু ৪ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানে গুরুত্ব

ফাঁদে ফেলে নারীদের নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি, বাবার গ্রেফতারের চায় ৩ সন্তান

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৪০৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতীকি ছবি

প্রেমের ফাঁদে ফেলে নারীকে পতিতাপল্লীতে বিক্রি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করাই শেষ নয়। প্রতারণা করে নারীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ ইত্যাদি অভিযোগে সেলিম

শেখ ওরফে মোস্তফা সেলিমকে গ্রেফতার দাবি করেছেন ৩ সন্তান ও স্ত্রী। রবিবার ঢাকার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্যাব) কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মলিনা

আক্তার জুঁই, মো. রিপন, সেলিমের বড় স্ত্রী বেবী বেগম ও তার তিন সন্তান সাব্বির, শামীম, সাদিয়া আক্তারসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী মলিনা আক্তার জুঁই জানান, ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে থাকাবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক করে সেলিম তাকে রাজবাড়ির পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দেয়। ১১ মাস পর সেখান থেকে

কোনো ভাবে ফিরে এলে সেলিম বিয়ের প্রলোভনে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এসময় সে বিয়ের কথা বলে নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় জুঁই মামলা

করেছেন। অপর নারী আঙ্গুরী বেগম সাংবাদিকদের জানান, তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুবাদে ৩ লাখ টাকা ধার নেয় সেলিম। পরবর্তীতে ওই টাকা ফেরত চাইলে তাকে মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের

ভয় দেখায়। এ ঘটনায় তিনিও সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. রিপন জানায়, সেলিমকে একজন সন্ত্রাসী হিসেবে জানতাম, তাই তাকে প্রায়ই চাঁদা দিতে বাধ্য হতাম।

হঠাৎ সে তার ৭/৮ জন সহযোগী নিয়ে রিপনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে জিনিসপত্র ও টাকা-পয়সা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় সেলিমের বিরুদ্ধে তিনি মামলা

করেছেন। সেলিমের স্ত্রী বেবী বেগম অভিযোগ করেন, তার সঙ্গে ২০০৩ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন সেলিম সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। একাধিক নারীকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়েছে। তাকে সন্ত্রাসের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।

এখন সে তিনটি শিশু সন্তানের ভরণ পোষণের খরচ চাইলে নির্যাতন করে। এ ঘটনায় তিনিও যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফাঁদে ফেলে নারীদের নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি, বাবার গ্রেফতারের চায় ৩ সন্তান

আপডেট সময় : ১০:০০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রতীকি ছবি

প্রেমের ফাঁদে ফেলে নারীকে পতিতাপল্লীতে বিক্রি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করাই শেষ নয়। প্রতারণা করে নারীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ ইত্যাদি অভিযোগে সেলিম

শেখ ওরফে মোস্তফা সেলিমকে গ্রেফতার দাবি করেছেন ৩ সন্তান ও স্ত্রী। রবিবার ঢাকার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্যাব) কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মলিনা

আক্তার জুঁই, মো. রিপন, সেলিমের বড় স্ত্রী বেবী বেগম ও তার তিন সন্তান সাব্বির, শামীম, সাদিয়া আক্তারসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী মলিনা আক্তার জুঁই জানান, ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে থাকাবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক করে সেলিম তাকে রাজবাড়ির পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দেয়। ১১ মাস পর সেখান থেকে

কোনো ভাবে ফিরে এলে সেলিম বিয়ের প্রলোভনে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এসময় সে বিয়ের কথা বলে নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় জুঁই মামলা

করেছেন। অপর নারী আঙ্গুরী বেগম সাংবাদিকদের জানান, তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুবাদে ৩ লাখ টাকা ধার নেয় সেলিম। পরবর্তীতে ওই টাকা ফেরত চাইলে তাকে মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের

ভয় দেখায়। এ ঘটনায় তিনিও সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. রিপন জানায়, সেলিমকে একজন সন্ত্রাসী হিসেবে জানতাম, তাই তাকে প্রায়ই চাঁদা দিতে বাধ্য হতাম।

হঠাৎ সে তার ৭/৮ জন সহযোগী নিয়ে রিপনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে জিনিসপত্র ও টাকা-পয়সা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় সেলিমের বিরুদ্ধে তিনি মামলা

করেছেন। সেলিমের স্ত্রী বেবী বেগম অভিযোগ করেন, তার সঙ্গে ২০০৩ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন সেলিম সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। একাধিক নারীকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়েছে। তাকে সন্ত্রাসের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।

এখন সে তিনটি শিশু সন্তানের ভরণ পোষণের খরচ চাইলে নির্যাতন করে। এ ঘটনায় তিনিও যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেছেন।