গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ, মাঠে ২৫ প্লাটুন বিজিবি-এসআরবি-আনসার
- আপডেট সময় : ১০:২৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আপাতত স্বাভাবিক মহাসড়কে যান চলাচল
গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও বিক্ষোভের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের পাশাপাশি আজ বুধবার মাঠে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি, এসআরবি ও আনসার বাহিনীর ২৫ প্লাটুন সদস্য।
তাঁদের নেতৃত্ব ও সার্বিক তদারকিতে দায়িত্ব পালন করছেন ২৫ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। শ্রমিক অসন্তোষের পঞ্চম দিনে শিল্পাঞ্চলজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, শ্রমিক বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার ২১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় মঙ্গলবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়। ওই দিন ২৫ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১১ প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।
আজ বুধবার বিজিবির সদস্যসংখ্যা আরও এক প্লাটুন বাড়িয়ে মোট ১২ প্লাটুন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৮ প্লাটুন এসআরবি ও ৫ প্লাটুন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে তিন বাহিনীর ২৫ প্লাটুন সদস্য শিল্পাঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের সঙ্গে মাঠে রয়েছেন ২৫ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শিল্পাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় এবং জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক থাকে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গাজীপুরের কোথাও নতুন করে শ্রমিক বিক্ষোভ কিংবা মহাসড়ক অবরোধের খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে শ্রমিক অসন্তোষের পঞ্চম দিনে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন ও পরিবহন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখাই এখন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।















