ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নৃশংস ৭ বছরের শিশুর হাত চেপে ধরেন স্ত্রী আঙ্গুল কাটেন পুলিশ  কনস্টেবল জাতিসংঘ সফর শেষে সচিবালয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী, শুরু দাপ্তরিক কার্যক্রম জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রদূত ১৮ দেশের বাজারকেন্দ্রিক রপ্তানি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সরকারের সমালোচনা এনসিপি আহ্বায়কের কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান

উইঘুর নির্যাতনে আরও প্রায় ৩০টি দেশকে সমর্থন করতে বাধ্য করছে চীন!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুলাই ২০২১ ২৫০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেইজিং ক্ষমতা এবং প্রভাব দেখিয়ে বিশ্বের আরও ৩০টি দেশকে উইঘুরদের ওপর নির্যাতন চালাতে বাধ্য করছে। ‘নো স্পেস লেফট টু রান’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে, বিশ্বের অন্তত ২৮টি দেশ উইঘুরদের হয়রানি এবং ভীতি প্রদর্শনের সঙ্গে জড়িত।

মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো এক্ষেত্রে নিকৃষ্ট উদাহরণ। এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উইঘুরদের ওপর চীনের দমন-পীড়ন আর তাদের কণ্ঠ রোধ করানোর জন্য চীন যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছে তা উঠে এসেছে। রাইটস গ্রুপ অক্সাস সোসাইটি ফর সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স এবং উইগুর হিউম্যান রাইটস প্রজেক্ট যৌথভাবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালে পাকিস্তানে এ ধরনের প্রথম ঘটনা ঘটে, যখন পাকিস্তান সরকার বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিযুক্ত ১৪ উইঘুরকে বেইজিংয়ে নির্বাসিত করে। চীনে পৌঁছানোর পর ১৪ জনকেই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৭ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে চীন ২৩টি দেশের ৮৫১ জনেরও বেশি উইঘুরকে চীনের হাতে তুলে দিয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে বেইজিংয়ের কর্মকাণ্ড নাটকীয়ভাবে প্রসারিত হয়েছে, যার ফলে কমপক্ষে ৬৯৫ জন উইঘুরকে ১৫টি পৃথক দেশ থেকে চীন আটক করেছে।

এদিকে, অক্সাস সোসাইটির গবেষণা পরিচালক এবং প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক ব্র্যাডলি জার্ডাইন ইমেইলে ভয়েস অব আমেরিকাকে বলেন, ‘বেইজিং অন্যান্য দেশে বসবাসকারী উইঘুরদের ভয় দেখানোর জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি ব্যবহার করে, যার মধ্যে স্পাইওয়্যার ব্যবহার এবং হ্যাকিং থেকে শুরু করে ইন্টারপোলের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তুতে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লাল নোটিশ প্রকাশ করা পর্যন্ত সবকিছু রয়েছে।’

জার্ডাইন আরও বলেন, ‘২০১৭ সাল থেকে বিদেশি ভিন্নমতকে স্তব্ধ করানোর সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি হচ্ছে চীনের সীমানার মধ্যে বসবাসকারী একজন ব্যক্তির আত্মীয়স্বজনকে আটকের হুমকি দেওয়া। উইঘুরদের ওপর আন্তর্জাতিক দমনপীড়নের সবচেয়ে বড় অপরাধী হচ্ছে পাকিস্তান, মিশর, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :