ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিশুহত্যার অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে ঘিরে আদিতমারীতে রণক্ষেত্র, এসপিসহ আহত ২০ ইরান-মার্কিন চুক্তি আলোচনায় তিন হাজার কোটি ডলার রাজশাহীর আম ও কালাইরুটি স্বাদে মুগ্ধ মার্কিন অতিথি   বেনজীরকে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশে ফেরানো প্রক্রিয়া চলছে: উপদেষ্টা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর তারল্য  সকট মোকাবিলায় ২,৫০০ কোটি টাকার ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক  অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু অভিনেত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হত্যার অভিযোগে স্বামী কারাগারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি, ঘোষণা পাকিস্তানের

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকার মনে করছে, বড় আকারের এডিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।

বিশেষ করে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের কাছে বিনিয়োগের নিরাপদ গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

তাই সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করা গেলে জনগণ সরাসরি উন্নয়নের সুফল পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকার মনে করছে, বড় আকারের এডিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।

বিশেষ করে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের কাছে বিনিয়োগের নিরাপদ গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

তাই সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করা গেলে জনগণ সরাসরি উন্নয়নের সুফল পাবে।