ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সফল দেশের স্বীকৃতি ফল উৎপাদনে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ, বিশ্বে গড়ছে দৃষ্টান্ত দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন বাংলা কিউআর চালু হলে বদলে যাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপে চাপা শত শত প্রাণ, উদ্ধার ২৩৫ মরদেহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক তিয়েনআনমেন চীনের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ৯৫ বার পড়া হয়েছে

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকার মনে করছে, বড় আকারের এডিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।

বিশেষ করে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের কাছে বিনিয়োগের নিরাপদ গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

তাই সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করা গেলে জনগণ সরাসরি উন্নয়নের সুফল পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২০২৬-২৭ অর্থবছরে এডিপির আকার নির্ধারণ ৩ লাখ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকা।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের এডিপিতে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।

সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে গতি বাড়ানো এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এজন্য প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সভায় দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সরকার মনে করছে, বড় আকারের এডিপি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরে আসবে।

বিশেষ করে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের কাছে বিনিয়োগের নিরাপদ গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

তাই সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি ও অপচয় রোধ করা গেলে জনগণ সরাসরি উন্নয়নের সুফল পাবে।