ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত ট্রাম্পের অযৌক্তিক যুদ্ধ ও অবাস্তব প্রত্যাশার ফল  ইরান চুক্তি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নতুন মোড় দশকের বৈরিতার পর সমঝোতা নতুন অধ্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরীমনির সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ অভিযোগে চাকরি হারালেন অতিরিক্ত এসপি গোলাম সাকলায়েন এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি

মন্ত্রীর সঙ্গে অভদ্রতা : রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কৃত সাংসদ শান্তনু সেন তৃণমূল

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহিত

রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হলেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন। জানা গিয়েছে গোটা বাদল অধিবেশনে থাকতে পারবেন না এই তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবারে রাজ্যসভায় তার আচরণের প্রতিবাদে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার হয়েছে বলে খবর।

প্রসঙ্গত, পেগাসাস কাণ্ডের জেরে বৃহস্পতিবারের রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি করা হয় শুক্রবার পর্যন্ত। এদিন রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরির সঙ্গেও বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন সাংসদ শান্তনু সেন।

শুক্রবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু ‘অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয়’ আচরণের জন্য শান্তনুকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন।

এদিন সকালে রাজ্যসভার নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল সাক্ষাৎ করেন বেঙ্কাইয়ার সঙ্গে। বৈঠকে রাজ্যসভায় সরকার পক্ষের সহকারী দলনেতা মুখতার আব্বাস নকভি এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ভি মুরলীধরনও হাজির ছিলেন।

এরপর অধিবেশন শুরু হলে শান্তনুর শাস্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন বেঙ্কাইয়া। তিনি বলেন, অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সূত্রআনন্দবাজার।

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর হাত থেকে বক্তৃতার কাগজ ছিনিয়ে নিয়েছিলেন শান্তনু। তারপর তা ছিঁড়ে ফেলে ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংহের আসনের দিকে ছুড়ে দেন। সে সময় পেগাসাস স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ নিয়ে বক্তৃতা করছিলেন অশ্বিনী। শান্তুনুকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার কাগজ ছেঁড়ার ঘটনার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী নিজের আসন ছেড়ে শান্তনুর দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। অসংসদীয় বাক্যও প্রয়োগ করেছিলেন। ডেরেকের প্রশ্ন, ‘‘অন্য অভিযুক্ত (হরদীপ) কেন ছাড় পেলেন?’’ তৃণমূল-সহ বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে শুক্রবারও মুলতবি হয় রাজ্য়সভার অধিবেশন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মন্ত্রীর সঙ্গে অভদ্রতা : রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কৃত সাংসদ শান্তনু সেন তৃণমূল

আপডেট সময় : ০১:১৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুলাই ২০২১

ছবি সংগ্রহিত

রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হলেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন। জানা গিয়েছে গোটা বাদল অধিবেশনে থাকতে পারবেন না এই তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবারে রাজ্যসভায় তার আচরণের প্রতিবাদে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার হয়েছে বলে খবর।

প্রসঙ্গত, পেগাসাস কাণ্ডের জেরে বৃহস্পতিবারের রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি করা হয় শুক্রবার পর্যন্ত। এদিন রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরির সঙ্গেও বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন সাংসদ শান্তনু সেন।

শুক্রবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নায়ডু ‘অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয়’ আচরণের জন্য শান্তনুকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন।

এদিন সকালে রাজ্যসভার নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল সাক্ষাৎ করেন বেঙ্কাইয়ার সঙ্গে। বৈঠকে রাজ্যসভায় সরকার পক্ষের সহকারী দলনেতা মুখতার আব্বাস নকভি এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ভি মুরলীধরনও হাজির ছিলেন।

এরপর অধিবেশন শুরু হলে শান্তনুর শাস্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন বেঙ্কাইয়া। তিনি বলেন, অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সূত্রআনন্দবাজার।

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর হাত থেকে বক্তৃতার কাগজ ছিনিয়ে নিয়েছিলেন শান্তনু। তারপর তা ছিঁড়ে ফেলে ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংহের আসনের দিকে ছুড়ে দেন। সে সময় পেগাসাস স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ নিয়ে বক্তৃতা করছিলেন অশ্বিনী। শান্তুনুকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার কাগজ ছেঁড়ার ঘটনার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী নিজের আসন ছেড়ে শান্তনুর দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। অসংসদীয় বাক্যও প্রয়োগ করেছিলেন। ডেরেকের প্রশ্ন, ‘‘অন্য অভিযুক্ত (হরদীপ) কেন ছাড় পেলেন?’’ তৃণমূল-সহ বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে শুক্রবারও মুলতবি হয় রাজ্য়সভার অধিবেশন।