ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে, অধিকাংশ শর্তে একমত বাংলাদেশ সৌদির কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, ২ বাংলাদেশিসহ নিহত  ১২ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অগ্রাধিকার দেবে ঢাকা মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়, সৌদি আরবকে সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কী ঘটেছে তাঁকে ঘিরে এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষার সুযোগ বিবেচনা করছে সরকার: মাহদী আমিন অনলাইন চাকরির প্রলোভনে ব্যবসায়ীর ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ, তরুণী গ্রেপ্তার শেরপুরের ৫৫ বছরেও সোমেশ্বরী নদীতে সেতু নেই, দুর্ভোগে ১৫ হাজার মানুষ হাতি সংরক্ষণ ও পর্যটন উন্নয়নে কমবে মানুষ-হাতি সংঘাত: পরিবেশমন্ত্রী

বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে এবং বেকারত্ব দূরীকরণে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি বস্ত্র ও পাটকলগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করেন। এসব কল-কারখানা পুনরায় চালু করার মাধ্যমে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বৈঠকে তিনি বলেন,  সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান সকল আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দ্রুত দূর করতে হবে। যারা আন্তরিকভাবে এসব বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ করতে চান, তাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা এবং বিভিন্ন দপ্তর থেকে অনুমতি নেওয়ার জটিলতা বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। প্রধানমন্ত্রী এই “রেড টেপ” বা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শ্রমিক ও কৃষকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে।

গত শুক্রবার নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী সেখানে বলেছিলেন:

“বিগত বছরগুলোতে বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি। এতে কর্মহীন শ্রমিকরা পুনরায় কাজ ফিরে পাবেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কেবল বন্ধ কারখানা চালু নয়, বরং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবকের জন্য দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির: বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী,  প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর,  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  শরীফুল আলম, বিডা-র নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার।  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে সরকারের শিল্পায়নের রূপরেখা স্পষ্ট হয়েছে। এর ফলে:

বন্ধ কারখানা সচল হলে হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। প্রক্রিয়া সহজ হলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের শিল্প খাতে আগ্রহী হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

দেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে এবং বেকারত্ব দূরীকরণে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি বস্ত্র ও পাটকলগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করেন। এসব কল-কারখানা পুনরায় চালু করার মাধ্যমে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

বৈঠকে তিনি বলেন,  সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান সকল আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দ্রুত দূর করতে হবে। যারা আন্তরিকভাবে এসব বন্ধ কারখানায় বিনিয়োগ করতে চান, তাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা এবং বিভিন্ন দপ্তর থেকে অনুমতি নেওয়ার জটিলতা বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। প্রধানমন্ত্রী এই “রেড টেপ” বা লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, শ্রমিক ও কৃষকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ ভালো থাকবে।

গত শুক্রবার নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী সেখানে বলেছিলেন:

“বিগত বছরগুলোতে বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি। এতে কর্মহীন শ্রমিকরা পুনরায় কাজ ফিরে পাবেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কেবল বন্ধ কারখানা চালু নয়, বরং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ বেকার যুবকের জন্য দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির: বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী,  প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর,  বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী  শরীফুল আলম, বিডা-র নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার।  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে সরকারের শিল্পায়নের রূপরেখা স্পষ্ট হয়েছে। এর ফলে:

বন্ধ কারখানা সচল হলে হাজার হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। প্রক্রিয়া সহজ হলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের শিল্প খাতে আগ্রহী হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।