রামিসা হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল জনমত, দ্রুত বিচার দাবিতে জাতীয় মহিলা পার্টির মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ১০:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যার ঘটনায় সারাদেশে যখন শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে, তখন এই বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় পার্টির অঙ্গসংগঠন জাতীয় মহিলা পার্টি।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা রামিসার হত্যাকারীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানোর পাশাপাশি দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শুধু রামিসা নয়, প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও নারী ও শিশু নির্যাতনের ভয়াবহ ঘটনা ঘটছে। ধর্ষণ, হত্যা ও সহিংসতার ঘটনায় মানুষের মনে আতঙ্ক বাড়ছে। শিশুদের নিরাপদ শৈশব আজ হুমকির মুখে। তারা অভিযোগ করেন, অপরাধীরা দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির আওতায় না আসায় এমন নৃশংসতা বারবার ঘটছে।
জাতীয় মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক জেসমিন নূর প্রিঙ্কা বলেন, এক রামিসাকে ঘিরে আজ পুরো বাংলাদেশ কেঁপে উঠেছে। কিন্তু শুধু একটি ঘটনার প্রতিবাদ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। দেশের প্রতিটি নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও সমাজকে একসঙ্গে জেগে উঠতে হবে।

বিচার দাবিতে জাতীয় মহিলা পার্টির মানববন্ধন
তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষণ ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত না করলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা আরও বাড়বে। কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি পালন নয়, নারী সমাজের অস্তিত্ব, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সবাইকে সবসময় সচেতন ও সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় মহিলা পার্টির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রীতু নূর বলেন, রামিসাসহ সকল শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। দেশের প্রতিটি শিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। তিনি অবিলম্বে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী ও শিশু সুরক্ষায় কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে রামিসা হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে ইতোমধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, আসামিদের গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়ার পর অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশেষ আদালতের মাধ্যমে আগামী ৫ থেকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যেই বিচার কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হবে।



















