ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমঝোতা না হলে ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের দেশ গঠনে নাগরিক দায়িত্ব আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি শেষে সোমবার খুলছে অফিস-আদালত ঢাকায় পশু কোরবানি ৭লাখ: সাভার ট্যানারী পল্লীতে চামড়া  ঢুকেছে সোয়া ৫ লাখ প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে  ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় পৌঁছেছেন চামড়া: অর্থনীতিতে আয়ের উৎস, সেই মূল্যবান সম্পদের এমন অর্থহীন পরিণতি! সড়ক নয়, যেন মৃত্যুর উপত্যকা! লোবানের গন্ধে ফিকে ঈদের আনন্দ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে  উল্লেখযোগ্য পতন, কেন? ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা দেশজুড়ে উৎসবের আমেজে উদযাপিত পবিত্র ঈদুল আজহা

বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ থেকে এ বার মিঠুনের মামলা সরানোর আবেদন

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১ ৩২৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মিঠুন চক্রবর্তীর

নন্দীগ্রাম ভোট মামলার পর এ বার বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ থেকে মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ‘উস্কানিমূলক মন্তব্য’ সংক্রান্ত মামলা সরানোর আর্জি জানানো হল। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে আইনজীবী মৃত্যুঞ্জয় পাল আবেদন জানান, মামলাটি যেন অন্য বেঞ্চে স্থানান্তরিত করা হয়।

এদিন বিচারপতি চন্দের বেঞ্চে মিঠুন-মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনকারী আইনজীবী বিচারপতি চন্দের কাছে অনুরোধ জানান, তিনি যেন এই মামলা থেকে অব্যাহতি নেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি চন্দ। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে শুক্রবার।

মিঠুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র প্রচারে ‘উস্কানিমূলক’ মন্তব্য করেছেন তিনি। এই অভিযোগে গত ৬ মে অভিনেতার বিরুদ্ধে মানিকতলা থানায় এফআইআর দায়ের করে তৃণমূল প্রভাবিত সংগঠন ‘সিটিজেনস ফোরাম’। মামলার কাঁটা সরাতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিঠুন। হাই কোর্ট তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল।

সেই নির্দেশ মেনে গত বুধবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে মিঠুন পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিয়েছিলেন। মানিকতলা থানার তদন্তকারী আধিকারীকেরা তাঁকে প্রায় ৪৫ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ‘নিরপেক্ষতার’ প্রশ্ন তুলে নন্দীগ্রামে ভোটে অনিয়মের অভিযোগ সংক্রান্ত মামলাটি বিচারপতি চন্দের বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে স্থানান্তরের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সঞ্জয় বসু।

তৃণমূল সূত্রের খবর, বিচারপতি চন্দ এক সময় তিনি হাই কোর্টে কেন্দ্রে তরফে অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল ছিলেন। সিবিআই এবং কেন্দ্রের হয়ে একাধিক মামলায় আইনজীবী হিসেবে লড়েছেন তিনি। তাই তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সূত্র আননন্দবাজার

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ থেকে এ বার মিঠুনের মামলা সরানোর আবেদন

আপডেট সময় : ০৮:২৩:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১

মিঠুন চক্রবর্তীর

নন্দীগ্রাম ভোট মামলার পর এ বার বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ থেকে মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ‘উস্কানিমূলক মন্তব্য’ সংক্রান্ত মামলা সরানোর আর্জি জানানো হল। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে আইনজীবী মৃত্যুঞ্জয় পাল আবেদন জানান, মামলাটি যেন অন্য বেঞ্চে স্থানান্তরিত করা হয়।

এদিন বিচারপতি চন্দের বেঞ্চে মিঠুন-মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনকারী আইনজীবী বিচারপতি চন্দের কাছে অনুরোধ জানান, তিনি যেন এই মামলা থেকে অব্যাহতি নেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি চন্দ। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে শুক্রবার।

মিঠুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র প্রচারে ‘উস্কানিমূলক’ মন্তব্য করেছেন তিনি। এই অভিযোগে গত ৬ মে অভিনেতার বিরুদ্ধে মানিকতলা থানায় এফআইআর দায়ের করে তৃণমূল প্রভাবিত সংগঠন ‘সিটিজেনস ফোরাম’। মামলার কাঁটা সরাতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিঠুন। হাই কোর্ট তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল।

সেই নির্দেশ মেনে গত বুধবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে মিঠুন পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নিয়েছিলেন। মানিকতলা থানার তদন্তকারী আধিকারীকেরা তাঁকে প্রায় ৪৫ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ‘নিরপেক্ষতার’ প্রশ্ন তুলে নন্দীগ্রামে ভোটে অনিয়মের অভিযোগ সংক্রান্ত মামলাটি বিচারপতি চন্দের বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে স্থানান্তরের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সঞ্জয় বসু।

তৃণমূল সূত্রের খবর, বিচারপতি চন্দ এক সময় তিনি হাই কোর্টে কেন্দ্রে তরফে অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল ছিলেন। সিবিআই এবং কেন্দ্রের হয়ে একাধিক মামলায় আইনজীবী হিসেবে লড়েছেন তিনি। তাই তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সূত্র আননন্দবাজার